Close Menu
    What's Hot

    মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জনসচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    এআই কি মানসিক রোগ চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করতে পারবে?

    বিএমইউ (BMU) সাইকিয়াট্রি বিভাগের নভেম্বর মাসের বৈকালিক আউটডোর সূচি প্রকাশ

    প্রবীণদের মানসিক সঙ্গ দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Thursday, October 29
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় October 29, 2026

      মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জনসচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

      Recent

      মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জনসচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      সারা দেশে নানা আয়োজনে পালিত হলো বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার July 4, 2026

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      Recent

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

      মাদকমুক্তির অন্যতম অন্তরায়-বেকারত্ব

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর October 28, 2026

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      Recent

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

      সারাক্ষণ মনে হয় আমার কোনো না কোনো রোগ হয়েছে

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার October 14, 2026

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      Recent

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 25, 2026

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      Recent

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের প্রতি মায়েদের সচেতনতা
    শিশু কিশোর

    অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের প্রতি মায়েদের সচেতনতা

    মনের খবর ডেস্কBy মনের খবর ডেস্কApril 27, 2021Updated:September 23, 2023No Comments6 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    অটিজম একটি মস্তিষ্কের বিকাশ জনিত সমস্যা। এতে আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত তাদের বয়স অনুযায়ী জ্ঞানীয় বিকাশ বা বুদ্ধি খাটিয়ে কোন খেলা বা কোন কাজের সমস্যা সমাধান, ভাষাগত দক্ষতা অর্জন এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়া করতে পারেনা। এই লক্ষণগুলো শুধুমাত্র বাচ্চাদের মধ্যেই পাওয়া যায়। অটিজমের বৈশিষ্ট্য নিয়েই একটা শিশু মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়। তাই শিশুর বয়স একটু একটু করে বাড়ার সাথে সাথে প্রকাশ পেতে থাকে এই লক্ষণগুলো। অটিজমে শিশুরা অন্য বাচ্চাদের তুলনায় আলাদা রকম আচরণ করে থাকে। যেমনঃ বারবার একই জিনিস পুনরাবৃত্তি করা, অস্থির আচরণ করা, আই কন্টাক্ট না করা। এই সমস্যা সাধারণত এক থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে দেখা যায়।

    অটিজমের এই লক্ষণগুলো প্রকাশের সাথে সাথে মা-বাবা যদি বুঝতে পারেন এবং বাচ্চাদেরকে তখনো ইন্টারভেনশন প্রক্রিয়াটাকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে পারেন তাহলে বাচ্চাকে অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসা যেতে পারে। তাই এই বিষয়ে মা-বাবার সচেতনতা বৃদ্ধিই অপরিহার্য ভূমিকা পালন করবে। কেননা বিকাশ মূলক মাইলস্টোন গুলো ধাপে ধাপে অনেকটাই মায়ের গর্ভ থেকেই শুরু হয়ে যায়।

    অটিজম হলো স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যা তাই এতে আক্রান্ত শিশুদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে অটিজম বৈশিষ্ট্যপূর্ণ শিশুদের জন্য একটি সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতির দরকার হয়। এ চিকিৎসা পদ্ধতিতে স্পীচ থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্টদের ভূমিকা অপরিসীম। যেহেতু রাতারাতি এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় তাই মা বাবার জন্য পেরেন্টাল কাউন্সিলিং ভীষণ জরুরী এই কারণে যে তারা হতাশায় ভুগেন, ধৈর্য্য হারা হয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে চাইল্ড সাইকোলজিস্ট, ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এই বাচ্চাদের খাবারের তালিকাতে কিছু বিধি নিষেধ আছে। এই সম্পর্কে যথাযথ গাইডলাইন জানতে একজন পুষ্টিবিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

    তাই বয়স অনুযায়ী বিকাশমূলক মাইলস্টোন গুলোর কোনো অসামঞ্জস্যতা শিশুর আচরণে লক্ষ্য করলে মা-বাবার সচেতনতামুলক পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরা হলঃ

    ভাষাগত বিকাশঃ অনেক সময় আমরা অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের কাছ থেকে শুনে থাকি যে, বাচ্চা দুই আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে পারতো, দুই একটা ছড়া বলতে পড়তো কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে আর এখন একদম পারেনা। ভাষাগত বিকাশ একটা ইউ শেপ কার্ভ এর হয়। মানে উল্টো কার্ভ। মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় পাঁচ মাসে শিশুর ভাষার বিকাশের প্রক্রিয়াটা শুরু হয়ে যায়, আর পিক পিরিয়ড হচ্ছে তিন বছর, অটিষ্টিক বাচ্চাদের ওরাল ভাষা ব্যাবহারের সময় না পারলেও কমিউনিকেশনে অন্য কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যম ইন্টারভেনশন দিয়ে ভাষাগত বিকাশ ঘটানো যেতে পারে।

    তিনটি বিষয় খেয়াল রেখে বাচ্চার জন্য ইন্টারভেনশন প্ল্যান করতে হবেঃ

    ১। আন্ডারস্ট্যান্ডিং লেভেল বাড়াতে হবে
    ২। কমিউনিকেশন ইন্টেনডেড তৈরি করতে হবে
    ৩। ইমিটেশন স্কিল তৈরি করতে হবে

    এক্ষেত্রে স্পীচ থেরাপিস্ট-এর কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং তাদের দেয়া টেকনিকগুলো ধৈর্য্যের সাথে পালন করতে হবে।

    সেন্সরি ইস্যুসঃ দেখা, শোনা, গন্ধ নেওয়া, এবং স্বাদ প্রতিদিনের আলাদা আলাদা একটা সেন্স। প্রতিটি সেন্স এর আলাদা আলাদা সিমটম থাকে যেমন একটা বাচ্চা যদি স্পর্শ সহ্য করতে না পারে তার মানে হচ্ছে টেকটাইলে হাইপার সেনসিটিভিটি থাকতে পারে। আবার বাচ্চাটির যে কোন প্রেসার নেওয়ার টেনডেন্সি খুব বেশী থাকে তাহলে দেখা যায় ঐ বাচ্চাটির হাইপার সেনসিভিটি থাকতে পারে। ডেইলি লিভিং এ প্রতি মুহুর্তে এক একটা আলাদা ভাবে ইমপ্যাক্ট আসে। আর এ জন্যই বাচ্চার প্রব্লেম অনুযায়ী প্ল্যান করতে হবে যে বাচ্চাকে আসলে কোন সেন্সরি ইস্যুস নিয়ে কাজ করতে হবে এবং এটির জন্য বেস্ট ওয়ে হচ্ছে সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন থেরাপি। এ থেরাপির মাধ্যমে বাচ্চার সেন্সরি ইস্যুস গুলো কমাতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে একজন অকুপেশনাল থেরাপিস্ট্রের কাছে আপনার শিশুকে নিয়ে যেতে হবে।

    শারীরিক বিকাশঃ কিছু গবেষণামূলক তথ্য থেকে দেখা গেছে যে, নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিক কার্যক্রমে অটিজম বৈশিষ্ট্যপূর্ণ শিশুরা সামাজিক বিকাশ লাভ করে। শিশুরা অন্যদের সঙ্গে মিশতে পারে ও যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, যা অটিজমের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বেশির ভাগ অটিস্টিক শিশুর মাংসপেশির সমন্বয় ও কার্যক্ষমতা দূর্বল থাকে।

    হাতের আঙুলের মাংসপেশির দুর্বলতার কারণে অনেকেই পেন্সিল ধরতে পারে না বা খুব সূক্ষ্ম কাজ গুলো করতে পারে না। এ ক্ষেত্রে শিশুর আঙুলের সমন্বয় ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাকে কাদামাটি বা ময়দার খামি দিয়ে খেলতে দিন। নিজেও তার সঙ্গে খেলায় মেতে উঠুন এবং তার প্রশংসা করুন। শিশুকে বেশী বেশী খেলাধুলায় আগ্রহী করতে যেমনঃ বল ছুড়ে দেওয়া, বাস্কেটে বল ছুড়তে বলা এই একটি কাজই বারবার করবে। প্রতিদিন একই নিয়মে একটি কাজ করলে শিশুর মনোযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি মাংসপেশির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে শিশু আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে এবং সামাজিকভাবে অন্যদের সঙ্গে মিশতে সহজ হবে। শিশুর সঙ্গে রং নিয়ে খেলার জন্য দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন। এ সময়ে তার সঙ্গে মেতে উঠতে পারেন নানা রকমের খেলায়। তার সাথে পালা করে খেলুন। একটা ত্রিভুজ এঁকে তাতে রং করা, খেয়াল রাখতে হবে যে, শিশু যেন ধীরে ধীরে সময় নিয়ে কাজটা শেষ করে। এর ফলে তার মনোযোগ বাড়বে। মনে রাখবেন শিশুদের একমাত্র কাজ হলো খেলা। খেলার মাধ্যমেই শিশু ধাপে ধাপে স্বাভাবিক বিকাশ লাভ করে। কথা বলতে হবে, গান ও ছড়া শোনাতে হবে, ছবির বই দেখতে হবে। এক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিস্ট ও একজন অকুপেশনাল থেরাপিস্ট-এর সাহায্য দরকার।

    পুষ্টিকর খাবার এবং খাবারের তালিকাঃ এসব বাচ্চাদের খাবারের তালিকাতে কিছু বিধিনিষেধ আছে এবং সঠিকভাবে বেড়ে উঠার জন্য কি ধরনের পুষ্টিকর খাবার দরকার এই সম্পর্কে যথাযথ গাইড লাইন জানতে একজন পুষ্টিবিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

    মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষাঃ অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের সুরক্ষার জন্য একমাত্র মায়েরাই বেশিরভাগ সময় ব্যয় করে থাকেন। তারা অনেক সময় পরিবারের থেকে যথোপযুক্ত সহানুভূতি এবং সহযোগীতা থেকে বঞ্চিত হন। সে কারনেই তারা হতাশা, বিষন্নতাতে ভুগেন। নিজের যত্ন নিতে পারেন না। তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে তারা তাদের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চাটিকে সঠিকভাবে ইন্টারভেনশন দিতে পারবেন না। সে কারণে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পেরেন্টস কাউন্সেলিং নেয়াটা বিশেষভাবে জরুরী। এতে শরীর ও মন দুটোই ভাল থাকতে সাহায্য করবে। যেহেতু রাতারাতি এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় তাই তাদের পেরেন্টস কাউন্সেলিং গ্রহন করা ভীষণ দরকার। এক্ষেত্রে চাইল্ড সাইকোলজিস্ট, ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

    মা বাবা বা বাড়ীর সবাইকে এসব বাচ্চাদের সব কাজেই প্রশংসা করতে হবে। আদর, উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দিয়ে কাছে টেনে নিতে হবে, ভালবাসা দেখাতে হবে। হাসি খুশি ভাবে তার সামনে থাকতে হবে। টয়লেট ক্লিনিং শেখাতে হবে। নিজের জামা কাপড় যেন নিজেই পড়তে পারে তা শেখাতে হবে। মা-কে বুঝতে হবে যে তার সন্তান যেহেতু অন্য বাচ্চাদের মতন বয়স উপযোগী কাজ করতে পারবেনা তাই তাকে এমন ভাবে সব বিষয় এ ইন্টারভেনশন দিতে হবে যেন নিজের দরকারি কাজটুকু নিজেই চালিয়ে নিতে পারে। কখনোই তার এই বাচ্চাটাকে অন্য স্বাভাবিক বাচ্চাদের সাথে তুলনা করা যাবে না। বিধাতার আশীর্বাদ মনে করতে হবে তার এই আজীবনের জন্য জন্মানো নিস্পাপ সন্তনটিকে। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। দেখবেন আপনার নিরলস প্রচেষ্টা এবং ইতিবাচক চিন্তার আলোকছটা ওর আচরণে প্রতিফলিত হবে। তাই নিজে উদ্বুদ্ধ হবেন, আপনার পরিবারের সবাইকে উদ্বুদ্ধ করবেন আপনার সন্তানের যত্ন নিতে এবং সব কাজে তাকেও উৎসাহিত করতে হবে।

    প্রতিবারের মত এবারেও সারাদেশে কয়েকদিন আগেই পালিত হলো ১৪তম “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’’। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আলোকিত হউক উদারতায়’। এই প্রেক্ষিতে অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের জন্য বলতে চাই-
    “হোক না সব ধীরে
    ধাপে ধাপে বেড়ে
    গড়বো তোকে ধৈর্য্য ধরে
    আগামীর তরে।”

    লেখকঃ
    শামিমা সিরাজী (সুমি)
    চাইল্ড সাইকোলজিস্ট, এক্সপার্ট ইন চাইল্ডহুড স্টিমুলেশন এন্ড আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট (ইসিডি)
    রিসার্চ ইনভেস্টিগেটর
    আইসিডিডিআর, বি

    করোনায় স্বজনহারাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পেতে দেখুন: কথা বলো কথা বলি
    করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন: করোনা ইনফো
    মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও দেখুন: সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে

    https://youtu.be/WEgGpIiV6V8

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleজীবনে সফলতা চাইলে প্রাত্যহিক কাজে একাগ্রচিত্তে মনোনিবেশ জরুরী
    Next Article মায়েদের মানসিক চাপ কমাতে কিছু পদক্ষেপ
    মনের খবর ডেস্ক

    Related Posts

    শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

    June 7, 2026

    শিশু মনে দুর্ঘটনার প্রভাব: অবহেলা নয়

    June 4, 2026

    শিশুর মনের ভাষা বুঝতে চাই সচেতন মা-বাবা

    June 3, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    জাতীয় October 29, 2026

    মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জনসচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মানসিক রোগ প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির…

    এআই কি মানসিক রোগ চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করতে পারবে?

    বিএমইউ (BMU) সাইকিয়াট্রি বিভাগের নভেম্বর মাসের বৈকালিক আউটডোর সূচি প্রকাশ

    প্রবীণদের মানসিক সঙ্গ দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.