।প্রথম পর্ব: ইনসাইট/ইনটিউশন।
সাইকোসিস শব্দটা দিয়ে ঠিক কোনো ডায়াগনোসিস বোঝানো হয় না, যেমন কোনো ডায়াগনোসিস বোঝানো হয় না জ্বর শব্দটা দিয়ে। জ্বর শুধু একটা সিম্পটম, এবং এটা হতে পারে বিভিন্নরকম অসুখে। তেমনই, সাইকোসিস একটা কন্সট্রাক্ট, যা দেখা যেতে পারে বিভিন্নরকম অসুখে। যেসব অসুখে সাইকোসিস হয় তাদের মধ্যে প্রোটোটিপিক্যাল উদাহরণটা হলো সিজোফ্রেনিয়া। তবে সিজোফ্রেনিয়া ছাড়াও অন্যান্য অসুখে সাইকোসিস হয়।
* * *
ইনসাইট এবং ইনটিউশন বলতে ঠিক কী বোঝায়? একেকজনের কাছে শব্দ দুইটার অর্থ একেকরকম হবে; কারও কাছে হতে পারে দুইটা শব্দের অর্থ আলাদা, আবার কারও কাছে হতে পারে একই। শব্দ দুইটার সংজ্ঞা দেওয়াও বেশ কঠিন। আমার নিজের থিসিসের বিষয় ছিলো ইনসাইট, তারপরেও আমাকে এটার সংজ্ঞা বলতে বললে এক কথায় বলতে পারব না। যেহেতু বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য রহস্য তৈরির পরিবর্তে রহস্য ক্লিয়ার করা, কাজেই আমরা রহস্যময় সংজ্ঞা না দিয়ে বরং সবচেয়ে ক্লিয়ার বোঝা যায় এমন বিবরণ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারি। দুইটা শব্দকে দিয়ে আমরা আলাদা আলাদা জিনিস বোঝাব।
আমরা যখন কোনো সমস্যার সমাধান নিয়ে ভাবি, তখন সেই সমাধান ভাবার কাজটা বিভিন্নরকম হতে পারে। কিছু সমাধানের চেষ্টা স্টেপ বাই স্টেপ এবং ইলাবোরেট, আবার কিছু সমাধান চটজলদি এবং ঠিক হলে হলো না-হলে নাই ধরনের। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক, যেমন, দাবার পরবর্তী চাল কী হবে?
১. আপনি পরবর্তী সকল সম্ভাব্য চাল স্টেপ বাই স্টেপ ভাবতে পারেন, এবং সেসব সম্ভাব্য চালের প্রতিটার জন্য আপনার বিপক্ষ কোন্ চাল দিলে কী হবে সেসবও ভাবতে পারেন, আপনার বিপক্ষ কী চাল দিলে তখন আপনি কী চাল দেবেন সেটাও ভাবতে পারেন, এভাবে আপনি ভবিষ্যৎ চালের কয়েক জেনারেশন পর্যন্ত ভাবতে পারেন। এভাবে প্রতিটা সম্ভাব্য সমাধানের স্টেপ বাই স্টেপ ভাবনাকে বলা হয় সমাধানের এলগরিদম পদ্ধতি। বোঝাই যাচ্ছে, দাবার ক্ষেত্রে শুধু একটা চালের জন্যই এরকম এলগরিদমের স্টেপ হবে অসংখ্য! এই জিনিসটা কম্পিউটারের পক্ষে সম্ভব হলেও মানুষের ক্ষেত্রে প্রায়ই সম্ভব নয়।
২. এবার ধরা যাক, এলগরিদম পদ্ধতিতে না গিয়ে আপনি সমাধানের ভাবনাকে অনেক কাটছাঁট করলেন। ভবিষ্যৎ প্রতিটা চাল এবং প্রতিচাল না ভেবে কিছু চাল এবং কিছু প্রতিচালকে মাথায় আনলেন, তাহলে কী? সেইক্ষেত্রে আপনার সমাধান ঠিক হতে পারে আবার না-ও হতে পারে, কতটা ঠিক হবে তা কিছুটা নির্ভর করবে আপনার অতীত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার উপর। অতীতে সিমিলার পরিস্থিতিতে আপনি কীরকম চাল দিয়ে কীরকম অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন সেসব অভিজ্ঞতার উপর। সমাধানের কাটছাঁট এই পদ্ধতিকে বলে হিউরিস্টিক পদ্ধতি।
৩. এবার ধরা যাক, দাবার চাল দেওয়ার সময় আপনি কোনো ক্যালকুলেশনই করলেন না, আপনার অত সময় নেই। আপনার অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, বা আপনার মন বলছে, এই চাল দিলেই হবে, এবং দিয়ে দিলেন, তাহলে কী? এটাই হলো ইনটিউশন। সমাধানের স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতিতে না গিয়ে শুধুই অভিজ্ঞতা বা মন নির্দেশিত তাৎক্ষণিক পথই হলো ইনটিউশন। হিউরিস্টিক পদ্ধতিকে যত বেশি কাটছাঁট করে ছোট করবেন, সেটা তত বেশি ইনটিউটিভ হবে।
* * *
ইনটিউশন বলতে কী বোঝাতে চাই সেটা বলার পর, এবার আসা যাক ইনসাইট শব্দটা দিয়ে কী বোঝানো হবে সেই বিষয়ে। ইনসাইট শব্দটার সবচেয়ে কাছাকাছি সহজ বাংলা কী হতে পারে এটা নিয়ে আমি ভেবেছি। অন্তর্দৃষ্টি হয়ত চলতে পারে, কিন্তু ইনসাইট শব্দটার যে কগনিটিভ তাৎপর্য সেটা বিবেচনায় নিলে এরচেয়ে বেশি কাছাকাছি শব্দ হতে পারে বিবেক।
যাত্রাগানের বিবেকের সঙ্গে আমরা পরিচিত, সে সংকটের মুহূর্তে এসে উচিত/অনুচিত কিংবা ঠিক/ভুল-এর গান গেয়ে যায়। সংকটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে পক্ষগুলো, সেসব পক্ষ থেকে এই বিবেক আলাদা তৃতীয় একজন। এই যে তৃতীয় একজন, এই তৃতীয় একজনের চোখে উক্ত সংকটকে কীরকম দেখায় সেটাই হলো বিবেক। এবং বিবদমান পক্ষগুলো এই তৃতীয়জনের দৃষ্টিভঙ্গি কতটা গ্রহণে সক্ষম তার উপর নির্ভর করবে কোন্ পক্ষের বিবেক কেমন।
ইনসাইট হলো এই বিবেকের মতোই রিফ্লেকটিভ। অন্যরা আমার সমস্যা সম্পর্কে কী ভাবছে সেটা আমি নিজের চিন্তায় কতটা রিফ্লেক্ট করতে পারি সেটাই হলো ইনসাইট। হতে পারে আমার সমস্যা সম্পর্কে অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি আমি গ্রহণ করি না বা অন্যের মতামত নিইও না, কিন্তু অন্যের বিবেচনায় কীরকম মনে হতে পারে সেটা অন্তত কল্পনা করতে পারি এবং সেই মনে হওয়াটার গুরুত্ব কিংবা গুরুত্বহীনতা বুঝতে পারি। আবার এটা যে সবসময় অন্য একজনই হতে হবে তাও নয়। এটা এমনকি হতে পারে নিজেরই মনের মধ্যে অন্য একটা পক্ষ দাঁড় করানো, হতে পারে নিজেরই মনের অন্য একটা পক্ষের সঙ্গে সংলাপ এবং সেই পক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যার পুনর্বিবেচনা।
* * *
যদিও আমি ইনসাইট এবং ইনটিউশন দুইটা শব্দ নিয়েই কথা বললাম, সাইকোসিস বোঝার জন্য আসলে প্রাসঙ্গিক শুধু ইনসাইট; দুইটা শব্দ নিয়ে বলেছি স্পষ্টীকরণের স্বার্থে।
সাইকোসিস একটা কন্সট্রাক্ট, এবং এই কন্সট্রাক্টকে বোঝার জন্য সহজ পদ্ধতি হলো এটাকে একাধিক ডাইমেনশন হিসাবে দেখা। কয়েকটা ডাইমেনশন দিয়ে বিবেচনা করার পর বলা যেতে পারে সাইকোসিস আছে কি না। এর মধ্যে একটা ডাইমেনশন হলো ইনসাইট।
সাইকোসিসে ইনসাইট বা অন্যের চোখে নিজেকে দেখার সক্ষমতা বা নিজেরই মনের অন্য একটা পক্ষের চোখে নিজেকে বিবেচনার সক্ষমতা নষ্ট হয়। নষ্ট হয় সাধারণত আংশিক, কিন্তু এই আংশিক নষ্ট হবারই ফলাফল হয় ডিভাস্টেটিং। এই ইনসাইটের ঘাটতি হবার কারণে রোগী বুঝতে পারে না তার সমস্যার প্রকৃতি ঠিক কীরকম, সমস্যাটা কেন হয়েছে এবং কী করণীয়।
একটা উদাহরণ দেওয়া যাক:
― আপনি বললেন, আপনার স্ত্রীর সঙ্গে পাড়ার অন্য একজনের সম্পর্ক আছে। ঠিক কীভাবে বুঝলেন যে সম্পর্ক আছে, একটু বলেন তো?
― অত কিছু ভাবতে হয় না। ওদের চোখের দিকে তাকালেই আমি বুঝতে পারি। দূর থেকেই যেভাবে ইশারা করে তাতেই সব বোঝা যায়।
― দূর থেকে ইশারা করে মানে কীরকম, যখন একজন আরেকজনকে দেখতে পাচ্ছে না তখনও?
― হ্যাঁ হ্যাঁ আপনি একদম ঠিক ধরেছেন।
― আচ্ছা। কিন্তু তারপরেও আমার মনে একটা খটকা থেকেই যাচ্ছে। আপনার পরিবারের অন্যরা, মানে, আপনার মা, বোন, ভাই, ভাবি, কেউ তো আপনার স্ত্রীকে সন্দেহ করছে না…
― ওইগুলার কথা বাদ দেন। শালারা সব আমার বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে…
লক্ষ করুন, স্ত্রীর যে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এই বিষয়ে পরিবারের অন্যরা একমত, কিন্তু অন্যদের এই মতামত রোগী গ্রহণ করতে বা কমপক্ষে অ্যাপ্রিশিয়েট করতে অক্ষম।
।দ্বিতীয় পর্ব: রিয়ালিটি টেস্টিং।
এই পর্বের প্রসঙ্গ সাইকোসিসের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ডাইমেনশন, রিয়ালিটি টেস্টিং। এটা সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডাইমেনশন।
রিয়ালিটি বলতে কী বোঝায়? আমরা জানি, রিয়ালিটি বা বাস্তবতা দর্শন, বিজ্ঞান, শিল্পকলা ইত্যাদি বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচিত হয়। রিয়ালিটি শব্দটা ব্যবহৃত হয় মানুষের দৈনন্দিন আলাপেও, যেমন:
―ব্যবসার ব-ও বুঝিস না এত বড় কাজে হাত দিয়েছিস। কোনো দেখাশোনাও করিস না আবার ওদিকে বন্ধুবান্ধব নিয়ে টাকা ওড়াচ্ছিস জলের মতো। হাউয়ার পোলা, রিয়ালিটি কী বুঝবি বাবার জমানো টাকা শেষ হলে…
আমরা রিয়ালিটি শব্দটা ঠিক কী অর্থে ব্যবহার করতে চাইছি?
* * *
ফটোগ্রাফিক রিয়ালিটি কথাটা ধরা যাক। শিল্পকর্মের টেকনিক প্রসঙ্গে এই কথাটা আলোচিত হয়। ফটোগ্রাফিক রিয়ালিটি বলতে বোঝায় একটা ক্যামেরায় কোনো দৃশ্য ধারণ করলে যেমন দেখায়, একটা শিল্পকর্ম তেমন বাস্তব। অর্থাৎ, বাস্তব দুনিয়ায় কোনো বস্তু বা ঘটনা দেখতে যেমন হুবহু তেমন হওয়াটা রিয়ালিস্টিক। অন্যদিকে, এর বিপরীত হলো আনরিয়ালিস্টিক যা কেবল কল্পনা বা ফ্যান্টাসিতেই সম্ভব। যেমন, এলিয়েন দিয়ে কারও চিন্তা কন্ট্রোল হচ্ছে এমন ভাবনা। এর মানে, উপরে আমি যে টাকা ওড়ানোর উদাহরণ দিয়েছি সেই অর্থে আমরা রিয়ালিটি শব্দটা ব্যবহার করছি না। আমরা রিয়ালিটি শব্দটা ব্যবহার করছি বাস্তবে কী সম্ভব এবং কী সম্ভব নয় এই অর্থে। অথবা, বাস্তবে আসলে কী হয়েছিল এবং কী হয় নি এই অর্থে।
* * *
সাইকোসিসের রোগী রিয়ালিটি এবং আনরিয়ালিটির বাউন্ডারি বুঝতে পারে না। তার চিন্তা ও কাজকর্মের মধ্যে এমন কিছু থাকে যার তাৎপর্য কেবল আনরিয়াল কোনো জগতের সাপেক্ষেই থাকতে পারে। উদাহরণ দেওয়া যাক:
১.
― আপনি না কি ঘরের চতুর্দিকে টিনের ব্যারিকেড দিতে চাচ্ছেন, ঘটনা কী বলেন তো?
― হ্যাঁ, দিতে চাচ্ছি। কারণ হলো, আমার পাশের বাসার লোকরা মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনের সাহায্যে আমার মনের কথা জেনে ফেলছে। এই রেডিয়েশনটা ঠেকানো দরকার।
বোঝাই যাচ্ছে, ব্যাপারটা আনরিয়াল।
২.
― আপনি বললেন, আপনার ছোট দুই ভাই আপনার শত্রু। দলিল জাল করে আপনার সম্পত্তি দখল করেছে। ব্যাপারটা কী বলেন তো?
― তখন আমি বিদেশে ছিলাম। ছিলাম না বলেই তারা এই কাজ করার সাহস পেয়েছে। আমি তো মামলা করতে চাই, সব অরিজিনাল কাগজপত্র তো আমার কাছে।
― কিন্তু আপনার বড় ভাই আর বোন তো বলছে, আপনার বাবা নিজেই ওই দুই ভাইকে তাদের ভাগ লিখে দিয়েছিল ওখানে দোকান বানানোর জন্য…
― ঠিক না। আমি খোঁজখবর নিয়েই বলছি।
এখানে যে ঘটনার কথা প্রস্তাব করা হচ্ছে সেটা বাস্তবে সম্ভব, কিন্তু, বাস্তবে আসলে তেমন ঘটে নি।
।তৃতীয় পর্ব: ডিসঅর্গানাইজড ডাইমেনশন।
মানুষ মনে মনে কী চিন্তা করে তা আমরা শুনতে পাই না। মানুষের ভেতরের চিন্তার সঙ্গে আমাদের পরিচয় মূলত তার মুখের কথা ও আচরণের মাধ্যমে। মানুষের চিন্তার থাকে যৌক্তিক শৃঙ্খলা এবং এই শৃঙ্খলা ফুটে ওঠে তার ব্যবহৃত ভাষার শৃঙ্খলার মধ্যে। আবার ভাষার নিজেরও থাকে যুক্তি ও অর্থের শৃঙ্খলা। যদি মানুষের ভেতরের চিন্তার শৃঙ্খলার কোনো সমস্যা থাকে তাহলে সেটা ফুটে উঠবে তার মুখের ভাষার ব্যবহার ও আচরণের মধ্যে। শৃঙ্খলার এই সমস্যাই সাইকোসিসের ডিসঅর্গানাইজড ডাইমেনশন।
এই ডিসঅর্গানাইজেশন বিভিন্নরকম হতে পারে, এবং হতে পারে বিভিন্ন মাত্রায়। আমরা এই বিভিন্নরকমের প্রতিটা আলাদা আলাদাভাবে না বলে মোটের উপর কীরকম হতে পারে তা-ই বলব।
এই ডিসঅর্গানাইজেশন হতে পারে কথার এক অংশের সঙ্গে আরেক অংশের সম্পর্ক না থাকা, এক প্রসঙ্গ থেকে অর্থহীনভাবে আরেক প্রসঙ্গে যাওয়া, প্রশ্নের সঙ্গে উত্তরের সম্পর্ক না থাকা, আজগুবি ও একদম নতুন শব্দের ব্যবহার, ইত্যাদি। কখনও কখনও ভাষার ব্যবহার এমন শৃঙ্খলাহীন হতে পারে যে সাইকোসিসের রোগীর কথার কোনো অর্থই উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।
ডিসঅর্গানাইজেশন বা শৃঙ্খলার এই অভাব হতে পারে রোগীর আচরণেও।
উদাহরণ দেওয়া যাক:
১.
― আপনার বাড়ি কোথায় বলেন তো?
― বাড়ি? রানীর বন্দর… হানির বন্দর… আমি রাজা তুমি রানী… সাঁই সাঁই সাঁই… ভ্রুম…
― সাঁই সাঁই ভ্রুম কী জিনিস বুঝলাম না।
― (দুই হাতে মটর সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরার মতো করে) সাঁই সাঁই ভ্রুম ভ্রুম…
২.
― বসেন বসেন।
― বসব না।
― কেন?
―বলা যাবে না।
― এভাবে দাঁড়িয়েই কথা বলবেন? ঠিক আছে, তাহলে দুই পায়ে দাঁড়ান। এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে তো কষ্ট হবে।
― সমস্যা নাই। আপনি বলেন।
।শেষ কথা।
এই পর্যন্ত আমি সাইকোসিসের তিনটা ডাইমেনশন নিয়ে বললাম। মোটামুটিভাবে, সাইকোসিসের এই তিনটা ডাইমেনশনই প্রধান এবং এগুলো বিশ্লেষণ করে সাইকোসিস চেনা যায়। তবে এগুলোই যে একদম শেষ কথা তা নয়, এর বাইরেও আছে আরও না-না বিষয়, তবে সেগুলো সাধারণ পাঠকদের জন্য অতিরিক্তি হয়ে যেতে পারে।
ডা. জলধি নাথ রায়
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মানসিক রোগ বিভাগ
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ।
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মানসিক রোগ বিভাগ
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ।
প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। মনেরখবর-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য মনেরখবর কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।
আরও পড়ুন:


