সবাই দুর্বল বলায় সে নিজেও নিজেকে দুর্বল ভাবে

0
7
শেয়ার করুন, সাথে থাকুন। সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে।

সমস্যাঃ আমার ছেলে সাইফ। বয়স দশ বছর। ৩য় শ্রেণিতে পড়ে। পরীক্ষায় লিখতে না পারার কারণে তাকে দ্বিতীয় বার ৩য় শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তার চোখের সমস্যা তাই তাকে চশমা ব্যবহার করতে হয়। দেখতে সমস্যা থাকার কারণে সে ঠিকমতো রিডিং পড়তে পারে না। ক্লাসের পড়াও তুলে আনে না। তাকে সবাই দুর্বল বলায় সে নিজেও নিজেকে দুর্বল ভাবে। যা সে পারে তাও খাতায় লেখে না। পরীক্ষার সময় বসে থাকে। কয়েকবার প্রয়াস-এ কাউন্সিলিং করেও কোনো ফল পাইনি। এ অবস্থায় আমার করণীয় কী জানালে উপকতৃ হব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

অধ্যাপক ডা. এম এস আই মল্লিক : আপনার ছেলের সমস্যা শুনে মনে হচ্ছে শুধুমাত্র চোখের সমস্যাই লেখাপড়ায় পিছিয়ে থাকার কারণ নয়; তার মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা রয়েছে বলে মনে হয়। এ ধরনের সমস্যায় অনেক শিশু রিডিং পড়তে পারে না এবং লেখার সময় প্রচুর বানান ভুল করে। কারো কারো মনোযোগের সমস্যাও থাকে। আবার যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তা না থাকায়ও এরকম হতে পারে। পড়াশুনায় পিছিয়ে থাকা ও সহপাঠীদের সমালোচনার কারণে সম্ভবত আপনার শিশুর মনোবল কমে গেছে। এজন্য তার সার্বিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য কোনো মানসিক বিশেষজ্ঞ অথবা মানসিক রোগ বহির্বিভাগে নিয়ে যাওয়া দরকার। হাসপাতালের কোনো শিশু বিকাশ ক্লিনিকেও নিয়ে যেতে পারেন। শিশু হাসপাতাল ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে এ ধরনের ক্লিনিক রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সমন্বিত চিকিৎসায় আপনার শিশুর উন্নতি সম্ভব হবে বলে মনে হয়।

 

পরামর্শ দিয়েছেন

অধ্যাপক ও শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এম এস আই মল্লিক

সাবেক চেয়ারম্যান, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ

বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

সূত্রঃ মনের খবর মাসিক ম্যাগাজিন, ৪র্থ বর্ষ, ১০ম সংখ্যায় প্রকাশিত।

স্বজনহারাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পেতে দেখুন: কথা বলো কথা বলি
করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন: করোনা ইনফো
মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও দেখুন: সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে

“মনের খবর” ম্যাগাজিন পেতে কল করুন ০১৮ ৬৫ ৪৬ ৬৫ ৯৪

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here