Close Menu
    What's Hot

    কয়েক মাস ধরে হঠাৎ হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং মনে হয় আমি মারা যাচ্ছি

    প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    সন্তান দূরে গেলেই চিন্তায় থাকি, মনে হয় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে

    পেশাদারিত্বে ধৈর্যের প্রয়োজন

    বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Friday, October 23
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় October 17, 2026

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      Recent

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      সারা দেশে নানা আয়োজনে পালিত হলো বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬

      রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার July 4, 2026

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      Recent

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

      মাদকমুক্তির অন্যতম অন্তরায়-বেকারত্ব

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর October 19, 2026

      কয়েক মাস ধরে হঠাৎ হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং মনে হয় আমি মারা যাচ্ছি

      Recent

      কয়েক মাস ধরে হঠাৎ হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং মনে হয় আমি মারা যাচ্ছি

      সন্তান দূরে গেলেই চিন্তায় থাকি, মনে হয় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে

      কথা বলার সময় ভুল করি, একটা বলতে গিয়ে আরেকটা বলে ফেলি

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার October 14, 2026

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      Recent

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 1, 2026

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      Recent

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

      মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণের সহজ কিছু কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » কোভিড ১৯: চূড়ান্ত সংক্রমণ এর পূর্বাভাস এবং লকডাউন বিষয়ক ভাবনা
    বিশেষজ্ঞের মতামত

    কোভিড ১৯: চূড়ান্ত সংক্রমণ এর পূর্বাভাস এবং লকডাউন বিষয়ক ভাবনা

    মনের খবর ডেস্কBy মনের খবর ডেস্কJune 1, 2020No Comments7 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    কোভিড ১৯: চূড়ান্ত সংক্রমণ এর পূর্বাভাস এবং লকডাউন বিষয়ক ভাবনা
    কোভিড ১৯: চূড়ান্ত সংক্রমণ এর পূর্বাভাস এবং লকডাউন বিষয়ক ভাবনা
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email
    যখন লকডাউন, স্কুল বন্ধ বা সাধারণ ছুটি কিছুই ছিল না তখন আমরা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কিছু প্রেডিকশন মডেল দেখেছিলাম, যেগুলো পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। লকডাউন থাকা অবস্থায় আমরা ভাইরাসের গতিপথ জানি না কারণ বাংলাদেশে মহামারি সব অঞ্চলে একই রকম নয়। এখনও দেশের কোথাও গুচ্ছ সংক্রমণ আবার কোথাও বা সামাজিক সংক্রমণ।

    আমরা যদি ঢাকা, নারায়ানগঞ্জ এবং অন্যান্য বড় শহর থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষা ও সনাক্তের তথ্যগুলো পর্যালোচনা করি তাহলে দেখা যায় যে সেগুলো জুলাই এর শেষ এ সংক্রমণ শীর্ষে থাকার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু তাই বলে আমরা একদম নিশ্চিত নই।
    মূল সমস্যাটা হচ্ছে আমাদের পরীক্ষা এখনও তুলনামূলক কম করা হচ্ছে এবং আমরা সকল সংক্রমিত রোগীকে চিহ্নিত করতে পারছি না। কেউ কেউ বলেন উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সমাজভিত্তিক নমুনা পরীক্ষার বদলে কিছু ক্ষেত্রে [সোশ্যাল কানেকশন স্যাম্পল কালেকশন] পরিচিতি বা সুযোগভিত্তিক নমুনা সংগ্রহ চলছে।
    উপরন্তু যে পরীক্ষা আমরা করছি তা বিস্তৃত জনসংখ্যার উপর নয়, অনেকাংশেই ডিসপ্রপোরশনাল। কতগুলো নির্দিষ্ট এলাকায় পরীক্ষা, বুথ, ল্যাবরেটরি সবই অনেক বেশি।
    কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষার গুণগত মান নিয়ে কথা উঠেছে। কোথাও আবার ল্যাবরেটরী কনটামিনাটেড হয়ে নমুনা পরীক্ষায় ব্যঘাত ঘতিয়েছে। সামান্য কিছু জায়গায় নমুনা নষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এগুলো ঘটা অসম্ভব না তবে দেখতে হবে এগুলো ডাটা বিশ্লেষণ এর সময় আমলে এসেছে কিনা। আমরা এটাও নিশ্চিত করে বলতে পারি না যে, আমরা যে তথ্যের ভিত্তিতে করোনা রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতের একটি প্রেডিকশন তৈরি করছি সেই তথ্যগুলোই বা কতটুকু সঠিক।
    এই মডেল গুলো নিয়ে আরও একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যে পরবর্তীতে আরও বেশী প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে, সময়ের সাথে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ঢাল গতিপথ পরিবর্তন করতেই পারে। করোনার বৈশ্বিক আচরণ বিবেচনায় এটা প্রমাণিত হয়েছে সাধারন মানুষের জনসাস্থ্যবিধি মানার উপর এবং সাস্থ্যব্যবস্থার প্রস্তুতির উপর সংক্রমণ ও মৃত্যুর রেখার ঢাল নির্ধারিত হয়।
    বাংলাদেশের মত বিরাট জনসংখ্যার দেশে আমরা যদি প্রতিদিন বিশ ত্রিশ হাজার পরীক্ষাও করি তাও সেটা যথেষ্ট নয়। কারো কারো মতে বাংলাদেশে প্রত্যেকের পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই কারন পরীক্ষার হারের সাথে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা খুব বেশি বাড়েনি। এটা আমার মতে ঠিক নয়।
    আমার ধারণা, যখন নতুন আক্রান্তের কথা বলি, আমরা কেবল মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এবং তার বিপরীতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রকাশ করি, কোনটা কোন ধরনের নমুনা সে সংখ্যাটা মনে হয় প্রকাশ করি না। অর্থাৎ কতগুলো নমুনা পরীক্ষা রোগ শনাক্তের জন্যে আর কতগুলো পরীক্ষা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফেরার জন্যে হয়েছে বা সেটা প্রকাশ করি না। কেউ কেউ একই নমুনা দুজায়গায় করেও সংক্রমণের অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চান, এই তথ্যগুলো আলাদা করার ব্যবস্থা আছে কিনা।
    একত্রে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা প্রকাশ করাতে আমরা বুঝতে পারি না যে তার মধ্যে কতজন বাড়িতে সুস্থ্য হওয়া রোগীর নমুনা আর কতজন হাসপাতাল থেকে ছাড়া প্রাপ্ত রোগীর নমুনা আছে। তাই যখন অনেক মানুষ সুস্থ হয়ে যাচ্ছে এবং এই সুস্থ ব্যক্তিদের প্রত্যেকের যদি দুইটা করে নমুনা নেয়া হয় আর সেগুলো নেগেটিভ হয় তাহলে স্বাভাবিক ভাবে আপনার পরীক্ষার সংখ্যা বাড়বেই এবং পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের সংখ্যা কমবেই।
    অন্য দেশগুলো যেভাবে পরীক্ষা করছে তা হল, তারা বিস্তৃত জনসংখ্যার উপর পরীক্ষা করছে এবং তাদের পজিটিভ রোগীর সংখ্যা তাদের পরীক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের মত দেশে প্রতিদিন বিশ ত্রিশ হাজার পরীক্ষা নিয়মিতভাবে করা খুব দুরূহ কাজ। রোগতত্ত্ববিদরা মনে করেন বেশিরভাগ আক্রান্ত-অধ্যুষিত লোকালয় যেমন ঢাকা, নারায়ানগঞ্জ ইত্যাদি অঞ্চলে নমুনা পরীক্ষার সাথে সাথে রোগের লক্ষণ/ উপসর্গ দেখে কঠোর নজরদারি প্রক্রিয়াটি (সিন্ড্রমেটিক সারভিলেন্স) জোড়লো করতে হবে। সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বিধিগুলো কড়াকড়ি না করতে পারলে গুরুতর বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও এসব বেশিআক্রান্ত-অধ্যুষিত শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চলে রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে অবাধ চলাচল ঠেকাতে হবে, সোজা কথায় বললে একটি একটি পকেট অঞ্চল লক ডাউন এর আওতামুক্ত করে পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ। মহামারি আইনের আওতায় একাজটি সাস্থ্য বিভাগ স্থানীয় প্রশাসন এর সাহায্য নিয়ে করতে পারেন।
    লকডাউন ছাড়া কোভিড-১৯ এর সংক্রমন কেমন হতে পারে সে বিষয়ে ধারণা পেতে প্রয়োজন তিনটি ইনকিউবেসন পিরিয়ড (করোনা ভাইরাসের আক্রমন ঘটার পর থেকে রোগ প্রকাশ পেতে যেই সময় প্রয়োজন) যার সময়কাল দেড় মাস। আর তাই মে মাসের ৩০ তারিখ থেকে যদি লকডাউন তুলে নেওয়া হয় তাহলে আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়েই এই রোগের সংক্রমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
    ধারণা করা হচ্ছে যেহেতু মানুষের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার একটি ভীতি কাজ করবে তাই লকডাউন তুলে নেওয়া হলেও সাধারণ জনগণ এর একটা বড় অংশ সংক্রমণ প্রতিরোধ এর সামাজিক বিধিনিষেধ গুলি মেনে চলা অব্যাহত রাখবে [ ধারনা করাই যায় যে বেশ কিছুদিন ধরে এই আচরণ গুলি মেনে চলার কারনে তারা অভ্যস্ত হয়ে গেছেন], যেমন মানুষ নিজের জীবনের নিরাপত্তার কারনেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবে, মাস্ক ব্যবহার করবে যার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালেও চুঁড়াটি খুব বেশি উচুঁ হবেনা ।
    আমাদের এসময়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ [রেড জোন] এলাকা গুলোর দিকে বেশি মনযোগী হয়ে সে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়ে ভাবা উচিত এবং সেকারনে
    প্রথমত আমাদের পুল হিসেবে পরীক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা গুচ্ছকে [ ক্লাস্টার] চিহ্নিত করতে হবে।
    দ্বিতীয়ত প্রত্যেককে পরীক্ষা করে পজিটিভ হলে তাদেরকে কোয়ারেন্টাইন করা, যদিও এই প্রক্রিয়ায় কাজ করার সময় চলে গিয়েছে। এছাড়া আমরা আমাদের পরীক্ষা করার ক্ষমতাও দশ হাজার থেকে হঠাত বিশ হাজার করতে পারছি না।
    আমাদের এখন যেটা করতে হবে তা হল মৃত্যুর সংখ্যা হ্রাস করা। সে জন্য পঞ্চাশ, ষাটোর্ধ সকলের যাদের উপসর্গ আছে তাদের সকলের পরীক্ষা করতে হবে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে এবং প্রথম দিন থেকেই সঠিক চিকিৎসা দেয়া শুরু করতে হবে যাতে তারা মৃত্যুবরণ না করেন।
    নমুনা পরীক্ষার পরিমাণ বা সংখ্যা মহামারির বিস্তৃতি নির্ধারণের জন্য প্রধান পন্থা হবে না। বরং মৃতের সংখ্যা দ্বারা মহামারীর গত প্রকৃতি ও বিস্তৃতি নির্ধারিত হবে। এপিডেমিওলজিকাল মডেলের মাধ্যমে এটি করতে হবে। কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য এখন নেই। তাই বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় আমাদের লক্ষিত/ টার্গেটেড জনগোষ্ঠীর শতভাগ নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচাতে হবে।
    লকডাউন ও সাধারণ ছুটির কারনে মহামারি গতি কিছু কমেছে। কিন্তু মনে রাখবেন, একটা সময়ের পর এটা আর কার্যকরী হবে না। লক ডাউন রোগ সারানোর ম্যাজিক বুলেট না এটা কেবল মহামারীর গতিকে আটকে রেখেছে। এ ধরনের সামাজিক জনসাস্থ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রোগের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় যাতে কিনা দেশের সাস্থ্য ব্যবস্থা এটা সামাল দিতে পারে। আমরা লক ডাউন তুলে নেয়ার পর পরই করোনা সংক্রমণ এর পুনরুত্থান দেখতে পাবো কারন এটাই এই রোগের ধরণ। আপনাকে মনে রাখতে হবে যে লকডাউন এর উদ্দেশ্য এই নয় যেন মহামারী চলে যায় অথবা সারাজীবন লক ডাউন চলবে।
    পরিশেষে বলি, এই মহামারি সমুদ্রের ঢেউয়ের মত। তাই এটি শুধু কতগুলো ঢেউ হবে তার উপরই নির্ভর করে না ঢেউ কত উঁচু হবে, জলোচ্ছ্বাস হবে কিনা তার উপরও নির্ভর করে। যদি খুব দ্রুত সংক্রমণ হয় বা এক সাথে বহুলোক আক্রান্ত হয় তাহলে ঢেউ অনেক বড় হবে। তারপর এটি তীরে সব গুঁড়িয়ে দিয়ে শেষ হয়ে যাবে। এই রোগের ক্ষেত্রেও একটি বড় ঢেউ উঠেছে বা উঠতে যাচ্ছে। একই ভাবে যদি সংক্রমণ সংখ্যা বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ না করা যায় রোগীর সংখ্যা বাড়ে তাহলে মহামারীর একটার পর একটা ঢেউ আরও উঁচু হয়ে আছড়ে পড়বে এবং সমাজ আর অর্থনীতিকে লণ্ডভণ্ড করে ফেলবে।
    এই কারণেই আমরা চাচ্ছি সংক্রমণের হার কমিয়ে ফেলতে যাতে করে রোগের পর্যায়ের পরিমান বড় না হয়। আপনি যদি এই রকম আর একটি ছোট পর্যায় পান তাহলে আমরা সেটাকে দ্বিতীয় পর্যায়/ ঢেউ বলব কারন এখনও অনেক মানুষ আক্রান্ত হয়নি। আমার মতে একটা বড় পর্যায়ের চেয়ে দুই তিনটা ছোট পর্যায় হওয়া ভাল। আমরা এখনও একটা পর্যায়ের পুরোটা দেখি নাই, একটি পর্যায়ের মধ্য আছি। এটি এখনও গতি তৈরি করছে। এবং যেহেতু প্রথম পর্যায়টি এখনও শেষ হয়নি তাই এই বিষয়ে স্পস্ট করে বলার মত সময় এখনও হয়নি।
    লেখক: ডা. মো. রিজওয়ানুল করিম, প্রোগ্রাম ম্যানেজার, অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 
    মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শ পেতে দেখুন: মনের খবর ব্লগ
    করোনায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক টেলিসেবা পেতে দেখুন: সার্বক্ষণিক যোগাযোগ
    করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন: করোনা ইনফো
    করোনায় সচেতনতা বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও বার্তা দেখুন: সুস্থ থাকুন সর্তক থাকুন

    https://www.youtube.com/watch?v=sMBR-Xy2ce8&t=60s
     


    প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। মনের খবরের সম্পাদকীয় নীতি বা মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই মনের খবরে প্রকাশিত কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা বা অন্য যেকোন ধরনের দায়  সর্ম্পূণই লেখকের।

    করোনা মহামারি লকডাউন
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleকোভিড ১৯: বাসায় ফিরেছেন অধ্যাপক ডা. বিপ্লব ও তার স্ত্রী
    Next Article কোভিড ১৯: ডায়াবেটিস ও মানসিক স্বাস্থ্য
    মনের খবর ডেস্ক

    Related Posts

    আত্মহত্যা প্রতিরোধই প্রধান চিকিৎসা

    October 5, 2023

    মানসিক রোগ চিকিৎসায় কার কী ভূমিকা?

    October 4, 2023

    ৩ বছর যাবৎ ওসিডিতে আক্রান্ত

    October 3, 2023
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    প্রশ্ন-উত্তর October 19, 2026

    কয়েক মাস ধরে হঠাৎ হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং মনে হয় আমি মারা যাচ্ছি

    প্রশ্ন: আমার নাম সুমাইয়া আক্তার। বয়স ২৪ বছর। আমি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। কয়েক মাস…

    প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    সন্তান দূরে গেলেই চিন্তায় থাকি, মনে হয় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে

    পেশাদারিত্বে ধৈর্যের প্রয়োজন

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.