বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির উদ্যোগে রাজধানীতে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. কামালউদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়ামে এ সেমিনারের অনুষ্ঠিত হয়।
‘Know, Test, Conquer’ and ‘Your Thyroid, Your Protector’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সেমিনারে থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) এর সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. এম. এ. করিম, BAEC এর বায়ো-সায়েন্স বিভাগের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও নির্বাহী সদস্য প্রফেসর ডা. ফৌজিয়া মোসলেম এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের National Institute of Nuclear Medicine & Allied Sciences (NINMAS)-এর পরিচালক প্রফেসর ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারী।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Institute of Nuclear Medicine & Allied Sciences (INMAS) এর পরিচালক, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ-সভাপতি ও Society of Nuclear Medicine, Bangladesh (SNMB)-এর সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডা. জিনাত জাবিন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সম্পাদক ও Bangladesh Endocrine Society (BES)-এর সাধারণ সম্পাদক ডা. এম. সাইফউদ্দিন।
দেশে থাইরয়েডজনিত রোগের হার বৃদ্ধি সম্পর্কে বক্তারা বলেন, দেশে থাইরয়েডজনিত রোগের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ অত্যন্ত জরুরি। তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দুপুর ১২টা ০৫ মিনিটে শুরু হওয়া সেমিনারটি দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, চিকিৎসক, গবেষক এবং স্বাস্থ্যসেবাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে ছিলো বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি।

