ঢাকায় ভ্যালপ্রোয়েটের চিকিৎসাগত বহুমাত্রিক ব্যবহার নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। “Valproate: A Broad Spectrum Agent, From Seizure Control to Mood Stabilization” শীর্ষক এই সিম্পোজিয়ামটি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (BAP) আয়োজিত এই বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়ামে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ডা. মোহাম্মদ শামসুল আহসান। অনুষ্ঠানের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি) এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব।
সিম্পোজিয়ামে ভ্যালপ্রোয়েটের বিভিন্ন চিকিৎসাগত ব্যবহার নিয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। ডা. লামিয়া রহমান ভ্যালপ্রোয়েটের মৌলিক ফার্মাকোলজি নিয়ে আলোচনা করেন। ডা. নাজমুল হুদা মনোরোগ চিকিৎসায় ভ্যালপ্রোয়েটের ব্যবহার ও কার্যকারিতা তুলে ধরেন। এছাড়া ডা. মাহদি ইসলাম নিউরোলজিক্যাল রোগে ভ্যালপ্রোয়েটের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনোরোগ ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি) এর সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন অপসোনিন ফার্মার এমন আয়োজনের প্রশংসা করে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি) এর সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, Convules এর নানা ধরনের ব্যবহার আছে। এক কথায় বলতে গেলে এটা অনেকটা চিংড়ি মাছের মতো। কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও প্রচুর। তাই অভিজ্ঞদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা নিয়ে অগ্রসর হওয়া। আর আমরা সবাই যদি যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করি তাহলে অপসোনিনের চাওয়া কিছুটা হলেও আলার মুখ দেখবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান,বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব, অধ্যাপক ডা. নিলুফার আখতার জাহান, অধ্যাপক ডা. মো. শাহ আলম, অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী এবং অধ্যাপক ডা. মো. মসিউলক।
সিম্পোজিয়ামের শেষ পর্বে প্রশ্নোত্তর ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ভ্যালপ্রোয়েটের নিরাপদ ব্যবহার, কার্যকারিতা ও আধুনিক চিকিৎসা নির্দেশনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠান শেষে ডা. মো. রাহানুল ইসলাম ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এরপর মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
এই বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়ামটি ভ্যালপ্রোয়েটের সিজার কন্ট্রোল থেকে শুরু করে মুড স্ট্যাবিলাইজেশন পর্যন্ত বিস্তৃত ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন-

