Close Menu
    What's Hot

    প্রবীণদের মানসিক সঙ্গ দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

    মানসিক রোগ চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

    পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

    স্পোর্টস এনালাইসিসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Thursday, October 29
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় October 17, 2026

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      Recent

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      সারা দেশে নানা আয়োজনে পালিত হলো বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬

      রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার July 4, 2026

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      Recent

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

      মাদকমুক্তির অন্যতম অন্তরায়-বেকারত্ব

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর October 28, 2026

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      Recent

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

      সারাক্ষণ মনে হয় আমার কোনো না কোনো রোগ হয়েছে

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার October 14, 2026

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      Recent

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 25, 2026

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      Recent

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » জরিপ: মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় দেশের ৮৪.৬% বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী
    কার্যক্রম

    জরিপ: মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় দেশের ৮৪.৬% বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

    মনের খবর ডেস্কBy মনের খবর ডেস্কOctober 10, 2021No Comments6 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    মানসিক স্বাস্থ্য
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমতে শুরু করলেও ইতোমধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে। মহামারির সময় দেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো জরিপে দেখা গেছে, ৮৪ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। চার ভাগের তিন ভাগ শিক্ষার্থী পড়ালেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। এই প্রবণতা গ্রামে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

    আজ ১০ অক্টোবর, বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ উপলক্ষে বেসরকারি সংগঠন ‘আঁচল ফাউন্ডেশন’-এর এক জরিপে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

    গত ১২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশের ৯২টি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হাজার ৫৫২ শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, করোনায় মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন প্রায় ৮৪.৬ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে শহরে অবস্থানকারীদের চেয়ে গ্রামে বসবাসকারীদের বিষণ্নতার হার বেশি। ছেলেদের তুলনায় মেয়ে শিক্ষার্থীরা বিষণ্নতায় বেশি ভুগছেন।

    আঁচল ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। এসব শিক্ষার্থীর প্রায় ৬১ শতাংশ নারী। তাদের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ছিলেন একজন। জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বয়স ছিল ১৮ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন ১৮ থেকে ২৩ বছর বয়সী।

    জরিপে দেখা যায়, করোনাকালীন ৭৫.৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পাঠ্যবইয়ের প্রতি বিমুখতা তৈরি হয়েছে। দুই হাজার ৫৫২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৪.৬ শতাংশই বিষণ্নতায় ভুগেছেন।

    শিক্ষার্থীদের মাঝে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হার একটু বেশি। ৮৬.৮ শতাংশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাদের মাঝে মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রাইভেটে এ হার ৮০.৬ শতাংশ। করোনার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিষণ্নতার হার কম বলে ধারণা।
    মহামারিজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোথায় অবস্থান করছিলেন তা পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখা যায়, অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী (৬৯.৭ শতাংশ) শহরে অবস্থান করেছেন। তবে গ্রামে অবস্থানকারী (৩০.৩ শতাংশ) শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অবনতি ঘটে। তুলনামূলকভাবে বেশি যা জরিপে অংশগ্রহণ নেওয়া শিক্ষার্থীর ৮৬.২ শতাংশ। আর পুরুষদের চেয়ে এখানেও নারীদের মাঝে বিষণ্নতার হার বেশি। পুরুষদের সংখ্যাটা যেখানে ৮০.৩৮ শতাংশ, সেখানে নারীরা ৮৭.৪৪ শতাংশই রয়েছেন মানসিক সমস্যায়। করোনাকালীন পুরুষদের চেয়ে নারীরা যেহেতু বেশিরভাগ সময় বাসায় অবস্থান করেছিলেন, তাই তাদের মাঝে এ হার বেশি হতে পারে।

    জরিপে দেখা গেছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ৭৭ শতাংশই রাতে সঠিক সময়ে ঘুমাতে যান না। সঠিক সময় এবং পরিমিত ঘুমের অভাব মানসিক ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এ সময়ে যেহেতু ডিভাইসের মাধ্যমে পড়ালেখা করতে হয়েছে, তাই দিনের বেশির ভাগ সময়ই শিক্ষার্থীদের মোবাইল, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের সামনে থাকতে হয়েছে। ৯৮.৩ শতাংশই বলেছেন এ কারণে তাদের মাঝে বিভিন্ন সমস্যা দেখা গিয়েছে। স্মৃতি হ্রাস পাওয়া, মাথা ব্যথা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, কাজে মনোযোগ কমে যাওয়া এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

    মানসিক অস্থিরতার কারণ খুঁজতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, একাকী অনুভব করা, করোনা সংক্রমণের ভয়, পারিবারিক কলহ, পরিবার থেকে বিয়ের চাপ, হীনমন্যতা ইত্যাদি। করোনাকালীন এর সবগুলোই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    যেসব শিক্ষার্থী নিজে বা তার পরিবারের কারও করোনা হয়েছে সেসব শিক্ষার্থীর মানসিক অস্থিরতা প্রায় ১০.০৮ শতাংশ বেশি। সুতরাং যেসব শিক্ষার্থীর করোনা হয়েছে তাদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়া জরুরি।

    মন ভালো রাখতে গিয়ে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই মুভি, সিরিজ বা গেইম খেলায় সময় ব্যয় করেন। বাকি শিক্ষার্থীরা অনলাইন কোর্স, মুভি দেখা, বাগান করা, গান গাওয়া, ভলান্টারি কাজ করা ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    এসব প্রসঙ্গে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের আত্মহননের চিত্র আমাদের ভাবিয়েছে। তাই আমরা এবার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর করোনার প্রভাব দেখার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা, একাকীত্ব, করোনায় মৃত্যুভয়, সেশনজট ও বিয়ের জন্য পীড়াপীড়ির মতো বিষয় স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে আমাদের জরিপে উঠে এসেছে।

    এমন পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুরুতে কিছুদিন পাঠ্য বিষয়ের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের বিনোদনমূলক কাজে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য বলতে মানসিকভাবে ব্যক্তির সুস্থতাকে বোঝায়। আর মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন হয় পরিবার থেকে। কারণ, একটি শিশুর প্রথম বিকাশ শুরু তার পরিবারে। অতি-আদর, অবহেলা, অতি-শাসন শিশুর স্বাভাবিক বিকাশকে যেমন ব্যাহত করে তেমনি পরিমিত আদর, ভালোবাসা, শাসন, মর্যাদা ও কাজের স্বীকৃতি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করে। সুতরাং পরিবারগুলোকে সুগঠিত হতে হবে আন্তরিকতায় সঙ্গে।

    তিনি বলেন, মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। এর প্রধান কারণ মানসিক স্বাস্থ্য রোগ এবং এর চিকিৎসার প্রতি জনগণের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। মানসিক রোগ এবং এর চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমাজে মর্যাদাবোধের অভাব লক্ষ্য করা যায়। এজন্য অনেকে মানসিক রোগের চিকিৎসা নেওয়াকে সামাজিকভাবে লজ্জাকর মনে করেন, যেটি শারীরিক রোগের ক্ষেত্রে দেখা যায় না। কিছু সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রেও অনেক সময় রোগী ও পারিবারের সদস্যরা খারাপ আচরণের শিকার হন। এজন্য পারিবারিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা জরুরি।

    সেন্টার ফর সাইকোট্রমাটোলজি অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশের পরিচালক ডা. রিফাত আল মাজিদ বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য বলে যে কিছু থাকতে পারে এটা আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন না। কেউ কেউ এটাকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা মনে করেন। এমনি অনেক শিক্ষিত সমাজেও এরকম মন-মানসিকতা দেখা যায়। বর্তমানে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, সামাজিক অবস্থান, সামাজিক সম্পর্ক ইত্যাদি বিবেচনায় মানসিক স্বাস্থ্য ও তার গুরুত্ব খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করা যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, আমাদের উচিত দেশে মানসিক রোগ এবং এর ব্যাপকতার বিষয়ে জাতীয় ডাটাবেইজ তৈরি করা। একই সঙ্গে মানসিক রোগ বিষয়ে গবেষণা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ মানসিক পেশাজীবী স্বাস্থ্যকর্মী তৈরিতে অধিক গুরুত্ব দেওয়া। এসব বাস্তবায়ন করা গেলে এ দেশের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হবে।

    বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ডা. রিফাত আল মাজিদ বলেন, সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দিনটি পালন করা হচ্ছে। তবুও সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্য আজও অবহেলিত। তাই সবার উচিত নিজের মনের যত্ন নেওয়া, অন্যের মনের যত্ন নেওয়া। সমস্যা হলে চিকিৎসক কিংবা মনোবিজ্ঞানীদের সঙ্গে পরামর্শ করা। যেকোনো মানসিক সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করলে অনেকাংশেই সুস্থ থাকা সম্ভব। নিজে ও আশপাশের মানুষদের নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনযায়ী, দেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর শতকরা ১৭ ভাগ এবং শিশু-কিশোরদের শতকরা ১৪ ভাগ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে। বিপুল এ জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ অনেক সময় প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা, কুসংস্কার ও চিকিৎসাপ্রাপ্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এতে কর্মক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যা জাতীয় অগ্রগতির উন্নয়নের পথে বড় বাধা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে সারাবিশ্বে কেউ না কেউ আত্মহত্যার মাধ্যমে প্রাণ হারান। আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য। অধিকাংশ ব্যক্তিই আত্মহত্যার সময় কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত থাকেন। সাধারণত সেটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না বা মানসিক রোগ নিশ্চিত হলেও যথাযথ চিকিৎসা করা হয় না বলেই আত্মহত্যা বেড়ে যাচ্ছে। অথচ সুচিকিৎসার মাধ্যমে আত্মহত্যার হার কমিয়ে আনা সম্ভব।

    স্বজনহারাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পেতে দেখুন: কথা বলো কথা বলি
    করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন:করোনা ইনফো
    মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও দেখুন: সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে

    https://youtu.be/WEgGpIiV6V8

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleমানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
    Next Article বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ভিসি
    মনের খবর ডেস্ক

    Related Posts

    বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    October 17, 2026

    সারা দেশে নানা আয়োজনে পালিত হলো বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬

    October 12, 2026

    রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

    October 10, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    দিনের চিঠি October 28, 2026

    প্রবীণদের মানসিক সঙ্গ দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হচ্ছে।…

    কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

    মানসিক রোগ চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

    পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.