Close Menu
    What's Hot

    মা-বাবার সন্দেহ ও শিশুর মানসিক বিকাশের প্রভাব

    পড়ার টেবিলে বসলেই আমার চোখ অন্ধকার হয়ে মাথা চক্কর দেয়

    বিশ্বে গড় আয়ু ফিরেছে মহামারি-পূর্ব পর্যায়ে, পিছিয়ে সুস্থ জীবনযাপন

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অলসতা: প্রযুক্তির প্রভাব ও আমাদের ভবিষ্যৎ

    কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Monday, October 5
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় October 3, 2026

      বিশ্বে গড় আয়ু ফিরেছে মহামারি-পূর্ব পর্যায়ে, পিছিয়ে সুস্থ জীবনযাপন

      Recent

      বিশ্বে গড় আয়ু ফিরেছে মহামারি-পূর্ব পর্যায়ে, পিছিয়ে সুস্থ জীবনযাপন

      বিএমইউ (BMU) সাইকিয়াট্রি বিভাগের অক্টোবর মাসের বৈকালিক আউটডোর সূচি প্রকাশ

      মনোযোগ কতটা ধরে রাখতে পারছেন জানাবে কানের পেছনের ছোট্ট সেন্সর

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার July 4, 2026

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      Recent

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

      মাদকমুক্তির অন্যতম অন্তরায়-বেকারত্ব

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর October 4, 2026

      পড়ার টেবিলে বসলেই আমার চোখ অন্ধকার হয়ে মাথা চক্কর দেয়

      Recent

      পড়ার টেবিলে বসলেই আমার চোখ অন্ধকার হয়ে মাথা চক্কর দেয়

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      আমি সব কিছুর প্রতি অনুভূতি, আবেগ ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার September 24, 2026

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      Recent

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

      শুধু শিশু নয়, কারোরই সব আবদার রক্ষা করা উচিত নয়

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 1, 2026

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      Recent

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

      মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণের সহজ কিছু কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » গল্প পড়া এবং আমার সন্তানের বেড়ে ওঠা
    শিশু কিশোর

    গল্প পড়া এবং আমার সন্তানের বেড়ে ওঠা

    মনের খবর ডেস্কBy মনের খবর ডেস্কMay 20, 2020Updated:November 15, 2020No Comments5 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    https://monerkhabor.com/featured/2020/05/18/26210/
    https://monerkhabor.com/featured/2020/05/18/26210/
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    আমার নিজের গল্প শোনার শুরুটা আমার পরিবার থেকেই। জন্ম ও বেড়ে ওঠা পুরানো ঢাকার একটা একান্নবর্তি পরিবারে, যেখানে বাড়ির ছোটরা সবাই বড়দের কাছ থেকে গল্প শুনতাম রাজা-রানীর গল্প, পরীর গল্প, এরকম আরো অনেক গল্প। সেখান থেকেই গল্পের প্রতি আমার আগ্রহের শুরু। তারপর যখন স্কুলে গিয়ে পড়তে শিখলাম; গল্পের প্রতি আগ্রহ দেখে আমার মামা প্রথম দুইটা বই এনে দেন, বই দুটো ছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা “ক্ষীরের পুতুল” আর দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার সম্পাদিত “ঠাকুরমার ঝুলি”। বিশেষ করে যতদূর মনে পড়ে “ক্ষীরের পুতুল” বইটি পড়ে মনের জগতে একটা সাংঘাতিক পরিবর্তন হয়! বইটি আমার শিশু মনকে একটা কল্পনার জগতে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল!

    আরো কিছুদিন পরে আমার মামাই আমাকে “কচি কাঁচার মেলা” শিশু সংগঠনটিতে ভর্তি করিয়ে দেন। বই পড়ার অভ্যাস তখন থেকেই মূলত শুরু হয়ে গিয়েছিল। এরপরে স্কুলের লাইব্রেরীতে নিয়মিত পদচারণা ছিল এবং স্কুলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে যে কর্মসূচি ছিল সেখানে আমি রেগুলার পার্টিসিপেট করতাম। আমাদের সময়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর বড় হতে হতে উপহার হিসেবে বই ছিল প্রথম পছন্দ। ঈদের সালামি বা জমানো টাকা দিয়ে বিভিন্ন লাইব্রেরী থেকে বই কেনা, প্রতিবছর বইমেলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম। বন্ধুদের কাছ থেকে বই ধার নিয়ে পড়া; এগুলো তো হরদম চলত। যখন ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন থেকেই নিজের সংগ্রহের বইগুলো যত্ন নেওয়া বা বইগুলোর প্রতি একটা টান, মায়া এই জিনিসগুলো ডেভেলপ করেছিল। তারপর থেকে দিনে দিনে পছন্দের পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু বই পড়া বা গল্প পড়া,গল্প শোনার বা শোনানোর অভ্যাস সেটা পরিবর্তন হয়নি।
    আমাদের ছোটবেলাটার সময়ে বেশিরভাগ বড়রা পাঠ্যসূচির বাইরের বই পড়াকে সময় নষ্ট করা মনে করতেন। অনেক বাবা-মাই ছেলে মেয়েকে বই পড়তে নিরুৎসাহিত করতেন। তো নিজে যখন মা হলাম, আমার মনে একটা ভাবনা কাজ করতো, আমার মেয়ের গল্প শোনার আগ্রহ আর পাঠক মন যেন ছোটবেলা থেকেই গড়ে ওঠে। আমার মেয়ের সাথে গল্প বলার শুরুটা বিভিন্ন রকমের কালারফুল পিকচার বুক দিয়ে, পিকচার গুলো দেখে দেখে গল্প বানিয়ে বানিয়ে বলতাম আর ওকে বলতাম, ‘তুমিও আমাকে একটা গল্প শোনাও’। ওর বিভিন্ন কাজ- যেমন খাওয়া, ঘুম, গোসল প্রতিটা সময়ই ওকে আমি ও আমার পরিবারের অন্যান্যরা গল্প বলত।
    আমাদের ছোটবেলার বিভিন্ন গল্প, রাজা রানীর গল্প, পরীর গল্প আরো অনেক অনেক গল্প, যেগুলো শুনতে শুনতে ওর মুখস্ত হয়ে গিয়েছিলো। কিছু মিস করে গেলে ও আবার ধরিয়ে দিতো। বই মেলায় গিয়ে ওর জন্য পছন্দ করে ছবিসহ গল্পের বই কেনা, সেগুলো পড়ে শোনানো, আরেকটু বড় হয়ে ও নিজেই পড়ে শোনাতো। এভাবেই আমাদের গল্পের জগতে পথচলার শুরু। আমার মেয়ে এখন ক্লাস এইটে, তার টিনএজ সময়টা পার করছে। আমরা জানি যে টিনএজ সময়টা জীবনের সবচেয়ে সেনসিটিভ একটা সময়। আর এখনকার টিনএজ বাচ্চারা তো তাদের স্কুল, কোচিং আর আদার্স অ্যাক্টিভিটি নিয়ে এত ব্যস্ত থাকে যে তাদের বইমুখী করাটা খুবই কঠিন একটা কাজ! তার ওপর বিভিন্ন রকমের টেকনোলজি, মোবাইল, কম্পিউটার, গ্যাজেট বা ডিভাইস এর প্রতি আসক্তি এখনকার শিশুদের মধ্যে খুবই কমন একটা ব্যাপার। সেজন্য আমার মতে বাবা-মাকে গল্প বলা শিশুর একদম ছোটবেলা থেকেই শুরু করা উচিত। মা হিসেবে সাধারণত আমি যে কাজগুলো মেয়ের সাথে করি-

    ১. পারিবারিক আবহে রিডিং কালচারকে প্র্যাকটিস করা; অর্থাৎ ফ্যামিলি টাইমে বাসার সবার মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, আমরা কি পড়ছি তা নিজেদের মাঝে শেয়ার করা, কি ভাবছি তা লিখে ফেলা, সবাই মিলে গল্পের আসর জমানো। ওরা কিন্তু আমাদের দেখেই শিখে, সেজন্য আমার মনে হয় বাবা-মা হিসেবে এ অভ্যাসটিকে আমাদের গুরুত্বের সাথে নেয়া দরকার।

    ২. আমি আমার মেয়েকে তার পছন্দনুযায়ী বই পড়তে দেই এবং কিনতে দেই। তবে তার আগে অবশ্যই দেখে নেই বইটির কনটেন্ট তার বয়স অনুযায়ী ঠিক আছে কিনা! একটা বই কেন তার এখনি পড়া উচিত নয় তা অবশ্যই তাকে বুঝিয়ে বলি।

    ৩. আমি চেষ্টা করি আমার মেয়ে যে ধরনের কাজগুলো পছন্দ করে সেই বিষয়ের উপরে বা ধরনের বইগুলো পড়তে বলি, যেমন তার ট্রাভেলিং অনেক পছন্দ সেজন্য ভ্রমণ বিষয়ক বই তাকে পড়তে দেওয়া, সাইন্স এক্টিভিটিস পছন্দ যে কারণে সাইন্স ফিকশনের বই পড়তে দেই। আবার ইদানিং ক্লাসিক ছোটগল্পের প্রতি তার আগ্রহ বাড়ার কারণে, যেসব ক্লাসিক ছোটগল্প উপন্যাস নিয়ে সিনেমা, নাটক বানানো হয়েছে সেগুলো দেখতে উৎসাহিত করি। আমার মনে হয় এতে ওর ভাবনার সাথে ভিজুয়ালাইজেশন এর একটা যোগসূত্র তৈরি হয়।

    ৪. বিভিন্ন লাইব্রেরীর মেম্বারশিপ নিয়ে দেয়া, ও যেন বই আনে এবং পড়ে সেটা মনিটর করা, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা, সমবয়সী রিডার গ্রুপের সাথে এড করে দেওয়া। এই কাজগুলো করতে গিয়ে ও যেন ওর ভাবনাগুলো শেয়ার করে আমাদের সাথে সেটা আমি খেয়াল রাখি। ওর কালেকশনের বই গুলো যেন নিজে যত্ন করে সেটা বলি।

    ৫. আরো একটা জিনিস আমি করি, এখনকার ছেলেমেয়েরা তো আসলে অনেক টেকনোলজি নির্ভর এবং অনেক ব্যস্ত থাকে। অনেক সময় বই হাতে নিয়ে পড়ার ইচ্ছে তো ওদের নাও হতে পারে, সে জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিভাবে তার পছন্দের বই সে খুঁজে পাবে, ই-বুক কিভাবে ডাউনলোড করতে হবে, সময়-সুযোগমতো কিভাবে সে বইটি পড়বে সে ব্যাপারগুলো নিয়েও তাকে বলি।

    টিন এজ বয়সটা বাচ্চাদের জীবনের ভিত্তি গড়ার সময়, তাদের কল্পনার জগতটাকে অনেক বড় করে দেওয়ার জন্য বই পড়ার আসলে কোন বিকল্প নেই। বিভিন্ন লেখকের এর বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার মাধ্যমে শিশুরা মানুষ, সমাজ এবং পৃথিবী সম্পর্কে জানতে পারে, যা তাদের পরবর্তী জীবনের পাথেয় হিসেবে রয়ে যায়। বাবা মায়েরা তাদের মত করে তাদের সন্তানকে বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে উৎসাহিত করবেন। বাবা মা হিসেবে নিজের সন্তানের জন্য এতোটুকু তো আমরা করতেই পারি।

    লেখক: ইসমত আরা ইমু, Psychologist, Bangladesh Early Adversity Neuro imaging Study, icddr, b, MS in Education and Counseling Psychology, University of Dhaka, Masters in Public Health, State university of Bangladesh,ismat.ara@icddrb.org

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleসংক্রমণের আতঙ্ক মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে দোকান কর্মচারীদের
    Next Article বয়ঃসন্ধিকাল এবং হোম কোয়ারেন্টাইন
    মনের খবর ডেস্ক

    Related Posts

    শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

    June 7, 2026

    শিশু মনে দুর্ঘটনার প্রভাব: অবহেলা নয়

    June 4, 2026

    শিশুর মনের ভাষা বুঝতে চাই সচেতন মা-বাবা

    June 3, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    ফিচার October 4, 2026

    মা-বাবার সন্দেহ ও শিশুর মানসিক বিকাশের প্রভাব

    একটি শিশুর জন্য পরিবার হলো প্রথম পাঠশালা। মা-বাবার সম্পর্কের গুণমান তার মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক…

    পড়ার টেবিলে বসলেই আমার চোখ অন্ধকার হয়ে মাথা চক্কর দেয়

    বিশ্বে গড় আয়ু ফিরেছে মহামারি-পূর্ব পর্যায়ে, পিছিয়ে সুস্থ জীবনযাপন

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অলসতা: প্রযুক্তির প্রভাব ও আমাদের ভবিষ্যৎ

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.