Close Menu
    What's Hot

    জীবন সঙ্গীর মৃত্যু

    আমাদের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিচ্ছে চীন-পাকিস্তান।

    মানসিক স্বাস্থ্যে সচেতনতা এবং সেবায় সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

    কাজে মন নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, মাঝে মাঝে আত্মহত্যার চিন্তা—কী করব?

    গেমিং ও টিভি সিরিয়ালের আসক্তির লক্ষণ।

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Thursday, November 5
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় November 5, 2026

      আমাদের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিচ্ছে চীন-পাকিস্তান।

      Recent

      আমাদের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিচ্ছে চীন-পাকিস্তান।

      মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বানঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

      মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জনসচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার November 4, 2026

      শিশুর অবাধ্যতা: আজকের ছোটো সমস্যা, নাকি আগামী দিনের বড়ো সংকেত?

      Recent

      শিশুর অবাধ্যতা: আজকের ছোটো সমস্যা, নাকি আগামী দিনের বড়ো সংকেত?

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর November 5, 2026

      কাজে মন নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, মাঝে মাঝে আত্মহত্যার চিন্তা—কী করব?

      Recent

      কাজে মন নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, মাঝে মাঝে আত্মহত্যার চিন্তা—কী করব?

      নিজের সঙ্গে বিড়বিড় করে কথা বলা কি মানসিক রোগের লক্ষণ?

      চার বছর ধরে ঘুমাতে পারি না, দুঃস্বপ্নে চিৎকার করি—সমাধান কী?

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার October 14, 2026

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      Recent

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 25, 2026

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      Recent

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » আমি আমার আবেগ থেকে ছবি তুলি: আলোকচিত্রী আনোয়ার হোসেন
    তারকার মন

    আমি আমার আবেগ থেকে ছবি তুলি: আলোকচিত্রী আনোয়ার হোসেন

    মুহাম্মদ এ মামুনBy মুহাম্মদ এ মামুনSeptember 2, 2016No Comments9 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    [int-img name=””]https://monerkhabor.com/wp-content/uploads/2016/09/Anwar-hossain-1.jpg[/int-img]

    [int-intro]হতে পারতেন তিনি একজন চিত্রশিল্পী অথবা হতে পারতেন একজন স্থপতি। ছোটবেলায় আঁকাআঁকির মাধ্যমেই রঙের দুনিয়ার সাথে পরিচয়। ভর্তি হয়েছিলেন বুয়েটের স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগে, কিন্তু স্থপতি হওয়ার পাট না চুকিয়েই সিনেমাটোগ্রাফি পড়তে চলে যান পুনেতে। ক্যামেরা হাতে কাজ করেছেন ‘সূর্য দিঘল বাড়ী’ ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ এর মতো বিখ্যাত সব চলচ্চিত্রে। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। তিনি আলোকচিত্রী আনোয়ার হোসেন। মনেরখবরের মুখোমুখি হয়ে এবার তিনি জানাচ্ছেন তাঁর মনের কথা, ভালোলাগার কথা, কষ্টের কথা, ভাবনার কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুতাসিম বিল্লাহ নাসির। [/int-intro]

    [int-qs]কেমন আছেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]ভালো নেই। খুব খারাপ। আমার মধু কক্ষে যে পরিমাণ মধু সংগৃহ করা যেত যে মধু ঢালতে পারতাম ঐটা দিতে পারিনি। ঐ মৌচাকটা তৈরিই হয়নি। এটা আমার মাতৃভূমি করে দিতে পারেনি। আর বিদেশ আমাকে কোনো দিনই করবে না। ফ্রান্সের আমি যতই নাগরিক হই না কেন।[/int-ans]

    [int-qs]কেন ভালো নেই?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]প্রথম কথা হলো স্বাদের দেশ মাতৃভূমি। মাতৃভূমি থেকে আমি কি পেয়েছি সেটি নয়। আমি মনে করি আমি বাংলাদেশের জন্য যেটুকু করতে পারতাম ওর দশ ভাগও আমার করা হয় নি। এই করার সুযোগটা কেউ আমাকে করে দেয় নি। আমি এখনো কষ্টে আছি, আনোয়ার হোসেন এখন কষ্ট করে শরীয়াতপুরে থাকে। দেশ আমাকে কোনো দিনই ডাকে না সরকার ডাকে না, রাজনৈতিক দল ডাকে না, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ডাকে না। ফটোগ্রাফাররা দেশটাকে দুরাবস্থা সম্পন্নের চিত্র সরবরাহ করে। যে জন্য আমি সূর্য দীঘল বাড়ি করে ৬ বার জাতীয় পুরস্কার পেয়েও এই অবস্থা। কেউ আমাকে ডাকেনা কাজের জন্য। কেউ আমাকে পড়াতে ডাকেনা কেউ আমাকে কাজ করতে ডাকে না। হয়ত ফ্রান্সে গেলে সরকার আমাকে বয়স্ক ভাতা দেবে যেহেতু ষাট বছর পার হয়েছে। বয়স্কদের জন্য আইন আছে সে অনুযায়ী আমি কিছু সুবিধা পাব। বাংলাদেশে আমি ৬ বার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি কিন্তু এই দেশের সরকার আমাকে একটি পয়সাও দেয় না। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি আজ পর্যন্ত ভাতা নেই নি। আমি যে শরীয়তপুরে দেড় বছর ধরে বসবাস করছি আমি সেক্ষেত্রে কোনো সহযোগিতাও পাইনা। শুধু আমি না ঢাকা শহরে এমন অনেক মানুষ আছে যারা চলচ্চিত্রের পুরোধা হতে পারত তাদেরকে ডাকাই হয় না। বাংলাদেশের মেজর এ্যাক্টিভিটিস অফিসিয়ালি বিভিন্ন বিষয়ে কম বেশি কন্ট্রিবিউশন করা যেত কিন্তু কোনো দিন আমাকে খবরই দেওয়া হয় নি। এ সম্পর্কিত যে আলোচনা মিটিং সমাবেশ তারও কোনো খবর দেওয়া হয় না। বড় বড় সমাজতান্ত্রিরা চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যস্ত। আমি মনে করি তারা চলচ্চিত্রই জানে না। তারা পরিচালক হওয়ার যোগ্য নয়। বাংলাদেশের বেশির ভাগ চলচ্চিত্র পরিচালকের ছবি করে দেয় তার ইউনিট। পরিচালকরা তাদের চালাকি আর ইজম করে বিখ্যাত হয়। সত্যজিৎ রায় ঋত্বিক ঘটকের নখের যোগ্যতাও এদের নেই। কিন্তু ইউনিট দেশকে ভালোবাসে বলে প্রজেক্ট কে ভালোবাসে বলে একটা কিছু দার করিয়ে দেয়। [/int-ans]

    [int-quote] আমার ক্ষেত্রে মনে হয় একেক টা ছবি আমার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একেকটা প্রেসক্রিপশন। আমি মনে করি আমার জীবনে যে কষ্টটা আমি পেয়েছি। আমি ম্যাট্টিকে স্ট্যান্ড করা ছেলে। আর্কিটেকচারের টিচার দুইবার আমাকে জড়ায়ে ধরেছে। আমি ফ্রান্স যাওয়ার আগে ৬০টির মতো কাজ করেছি। সূর্য দীঘল বাড়ি আমার প্রথম কাজ তুমি যদি এ্যানালাইসিস করো আমি জীবনে এ্যাতো কিছুর পরও কোনো কিছুর চেষ্টা করি নাই। আমার মন খারাপের জন্য ব্যক্তি হতে পারে, রাষ্ট্র হতে পারে, চলচ্চিত্র হতে পারে। সব সময়ই এরা কেন যেন আমার ব্যাপারটা বোঝেনি।[/int-quote]

    [int-qs]ভালো থাকার জন্য আপনি কোন কোন বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখেন এবং ভালো রাখার চেষ্টা করেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]গ্রামে থাকি, প্রকৃতির সাথে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করি, ঐ টাইমের বাকি যেটুকু থাকে তা ছবি তুলি আর অর্গানাইজ করি।
    [/int-ans]

    [int-qs]মন খারাপ হয়?
    [/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]সব সময়ই হয়। [/int-ans]

    [int-qs]তখন কি করেন?
    [/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”] আমার ছবি তোলার ব্যাপারটাই বোধ হয় এগুলোর একটা প্রতিফলন। আগে ছিল ছবি আঁকা এখন ছবি তোলা। আমি তো পুরনো ঢাকায় একটি দরিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহণ করি এবং দারিদ্রতা আমার পেছনটা ছাড়েনি। তবে দোষ আমারই দারিদ্রতা ঘুচাবার জন্য যে সমস্ত সুযোগ এসেছে তা কখনো কাজে লাগাইনি। আমার ক্লাসমেট মুক্তিযুদ্ধের সময় যার ক্যামেরা আমি হারিয়েছি সে ক্লাসে সবচেয়ে খারাপ ছাত্র ছিল অথচ আমি ক্লাসে ফাষ্ট বয় ছিলাম সে আমার থেকে ভালো আছে। আমার জীবনে এমন হাজার হাজার উদাহরণ আছে। আমার মন খারাপ থাকলে প্রকৃতির দিকে তাকাই। প্রকৃতিই আমার শিক্ষা গুরু। আমি শরীয়তপুরে যেখানে থাকি সেখানে আমার কাছে পাখি আসে। ২-৩ টা পাখি যারা আমার কাছে আসে। এরা আমার ঘরেই আসে। এদেরকে সময় দেই।[/int-ans]

    [int-qs]ভালো-খারাপ-দু:খ-কষ্ট রাগ-হিংসা এগুলোকে কিভাবে দেখেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]এগুলো অবশ্যই মানুষের আয়ত্বে আসা উচিত। আমার জীবনে টুকটাক দূর্ঘটনা ঘটেছে। রাগ ক্ষোভের জন্য কিন্তু আমি যেটা মনে করি এটা সব সময় আয়ত্বে রাখা সম্ভব নয়। কারণ আমার মতো লোকদের যখন রাগ দুঃখ ক্ষোভ হয় তখন তা অন্তর প্রসূত তাৎক্ষনিকভাবে যদি এটা নিয়ন্ত্রণ না করা যায়। তাহলে ড্যামেজ হতে পারে। তৃতীয় পক্ষের না হোক আমাদেরই ড্যামেজ হতে পারে। আমাদের গুমড়ে মরা একটা ব্যাপার। আর ওটাকে সৎকাজে অভ্যাস করে ফেলাটা ভালো যদিও শাস্ত্র তা বলে না। শাস্ত্র বলে তুমি নিজেকে সামাল দাও। কত্ত সামাল দিব। সামাল দেওয়ার তো একটা লিমিট থাকে। [/int-ans]

    [int-qs]রাগ করেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]আমি রাগ করি তবে সেক্ষেত্রে একটু অন্যরকম।[/int-ans]

    [int-qs]রাগ কি দমিয়ে রাখেন না রাগ কারো উপর ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]সবাই যেটা আমাকে বলেছে সারা জীবন। বলছে আপনি না রাগলে কোনো ছবিই শেষ হতো না। কিন্তু আপনার রাগের ক্যারেকটারটা হলো রাগের ঘটনা ঘটে গেল ৫ টা ৫ দিনে আপনি কিছুই বলেন না। আপনি হাসেন খালি। তারপর ৬ষ্ঠবার যেটা ঘটল সেটা তুচ্ছ ব্যাপার ওটাতে পিঁপড়াও রাগবে না। কিন্তু আপনি এমন রেগে যান ঐ ৬টা রাগ একবারে ঝেড়ে ফেলেন। তবে সবাই যেটা বলে যে আপনি রাগ করার পর পস্তাবেন এবং এমন একটা হাসি দিবেন তাতে আমরা সব ভুলে যাই।
    [/int-ans]

    [int-qs]রাগ নিয়ন্ত্রণ দরকার? কেন?
    [/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]রাগের ফলাফল আমার নিজের জন্যই আমার স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকর।
    [/int-ans]

    [int-qs]হিংসা আছে?
    [/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”] না। সত্যিকার অর্থে এটাই বোধ হয় আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা ইয়ং ছেলে যদি প্রাইজ পায় বা এটা ঘটে ঐটা ঘটে তাহলে আমিই সবচেয়ে খুশি হই। এবং সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো কি জানো আমার জীবনে যদি হিংসা থাকত আমি তাহলে মিলিনিয়ার হতাম।[/int-ans]

    [int-qs]ভালোবাসার প্রবণতা আপনার ভেতরে কতটুকু?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]হ্যাঁ ভালোবাসার প্রবণতা আমার অনেক বেশি।[/int-ans]

    [int-qs]ভালোবাসা ব্যাপারটিকে কিভাবে দেখেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]ভালোই দেখি।[/int-ans]

    [int-qs]আর একবার ভালোবাসার সুযোগ দিলে কাকে ভালোবাসতেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]আমার জীবনে সত্যিকার শক্তিশালি ভালোবাসা এসেছে আমি মনে করি আমার দুই ছেলের থেকে। আমি দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের স্বাদ পাইনি। এদের জন্যই আমার ভালোবাসাটা বেশি। এছাড়াও অতীতের অনেকগুলো চেহারা এখন ভেসে আসে যেটা কোনোদিনই ভাবিনি। চলচ্চিত্রের ন্যয় কিছু ফ্লাশ আসে অনেক কিছুকে মনে হয় উপভোগ করতে পারতাম কিন্তু তখন করা হয় নি। কিন্তু এক কথায় আমার জবাবটি দেওয়া সম্ভব নয়।
    [/int-ans]

    [int-img name=””]https://monerkhabor.com/wp-content/uploads/2016/09/Anwar-Hossain-2.jpg[/int-img]

    [int-qs]কখনো কি মানসিকভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]বহুবার। প্রতিদিনই আঘাত প্রাপ্ত হই। এটা বোধ হয় সবাই হয় তবে কারো সেনসিটিভিটিটা হাই কারো সেনসিটিভিটিটা লো। [/int-ans]

    [int-qs]মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”] হ্যা আমার ক্ষেত্রে মনে হয় একেক টা ছবি আমার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একেকটা প্রেসক্রিপশন। আমি মনে করি আমার জীবনে যে কষ্টটা আমি পেয়েছি। আমি ম্যাট্টিকে স্ট্যান্ড করা ছেলে। আর্কিটেকচারের টিচার দুইবার আমাকে জড়ায়ে ধরেছে। আমি ফ্রান্স যাওয়ার আগে ৬০টির মতো কাজ করেছি। সূর্য দীঘল বাড়ি আমার প্রথম কাজ তুমি যদি এ্যানালাইসিস করো আমি জীবনে এ্যাতো কিছুর পরও কোনো কিছুর চেষ্টা করি নাই। আমার মন খারাপের জন্য ব্যক্তি হতে পারে, রাষ্ট্র হতে পারে, চলচ্চিত্র হতে পারে। সব সময়ই এরা কেন যেন আমার ব্যাপারটা বোঝেনি। অনেকেই আমাকে দিয়ে মুনাফা লাভের চেষ্টা করেছে মুনাফা লাভ করতে গিয়ে শুধু আমাকে না আমার পাশের অনেককেও কষ্ট দিয়েছে। [/int-ans]

    [int-qs]আর মানুষ হিসেবে কি ধরনের স্বপ্ন দেখেন? [/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]আমার বয়স এখন ৬৮ বছর। ফিল্ম নিয়ে কাজ ৪৫ বছর। আমি মনে করি আমার কাছে কুবের বলো বা ফারাওরিক সম্পত্তি আছে। এটা অনেকেই অনেক প্রলোভন দেখিয়েছে। কিন্তু সৎপাত্র ছাড়া আমি দেব না এবং কেউ পাবেনা। এখনও সময় আছে বাংলাদেশের সরকারের বা বাংলাদেশের সংগঠনের একটু মাথা ঝাড়া দিয়া আনোয়ার হোসেনকে বাঁচিয়ে রাখা এবং আনোয়ার হোসেনের কাজগুলো যেন দেশের কাজে লাগে সে ব্যবস্থা করা। এটিই স্বপ্ন। এবং এটা হবে না। [/int-ans]

    [int-qs]নিজে ভালো থাকার জন্যতো আমরা অনেক কিছু করি। কিন্তু অন্যরা যাতে আপনাকে ভালোবাসেন, অন্যদের যাতে ভালো লাগে সে ব্যাপারে কতটুকু সচেতন? এজন্য কোন কোন বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখেন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”] না না আমি আমার আবেগ থেকে ছবি তুলি। কেউ আমাকে ছবি তোলার জন্য ভালোবাসবে এজন্য নয়। যারা নিজের পকেটকে ভালোবেসে ছবি তুলবে তাদের হিসেব এক। দর্শক যদি ভাবিত হয় তাহলে তারা আমার ছবি দেখলে তাদের ভালো লাগবে কিন্তু দর্শকের ভালো লাগাকে বিবেচনা করে আমি ছবি তুলি না। [/int-ans]

    [int-qs]তরুন প্রজন্ম নিয়ে আপনার মনের বোঝাপড়া কেমন?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]প্রজন্মের মধ্যে বেশ কিছু জিনিয়াস আছে তারা অনেক সম্ভাবনাময় কিন্তু বাংলাদেশে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী রয়েছে বাংলাদেশে ইয়োলা জার্নালিজম যেটা পশ্চিমাতে আছে যা দিয়ে তারা পত্রিকা চালায় এবং সাম্প্রতিককালে সেটা দিয়ে ইসলামকে আঘাত করা হয় তার একটি বড় চারণক্ষেত্র বাংলাদেশ। বাংলাদেশ থেকে সে ছবিগুলো সাপ্লাই করা হয়। এই মধ্যস্থতায় যারা থাকে ওরা হলো কুটিল মহাজন। আমি এটা মনে করি। এরা মানবতার জন্য ছবি তোলাকে উদ্ধুদ্ধ করে না। তুমি ছবি তুলবে যে ছবিগুলো বিক্রি হবে আন্তর্জাতিক বাজার খাবে ওর জন্য। আমার মনে আছে আমি যখন ফ্রান্সে যাই যখন আমার ৩৫ বছর বয়স। তখন ফ্রে  জার্নালিষ্ট আমাকে বলছে তোমার দেশে রাজনৈতিক হত্যা হয়, পলিটিক্যাল ডিজরাপশন, গার্মেন্ট ফ্যাক্টরী প্রবলেম, প্রষ্টিটিউট, ফেমিনিন। আমি যখন রাগারাগি করলাম। তখন সে বলল ঝগড়া করে তো লাভ নেই তোমার দেশে তো এটা হচ্ছে। আমি যখন এরকম ৭-৮টা জায়গাতে এরূপ করলাম তখন আমাকে ওরা বুঝতে পারল। ছবি খাদক যারা। যারা ফটোগ্রাফারদের বাঁচিয়ে রাখে এই ছবি খাদকদেরকে শুধু ফ্রান্স না অন্যান্ন দেশেও ভরণ পোষন এর ব্যবস্থা করে ওদের বাঁচিয়ে রাখে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দেশে তো অন্যায় অবিচার হবেই সব দেশেই হয়। আমেরিকায় হয় রাশিয়াতে হয়। আফ্রিকায় তো লেগেই আছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলছে, বাংলাদেশে চলছে। সব জায়গায় হয়। ঐটা যদি তোমার উপজীব্য হয় ওটা বিক্রি করে যদি তুমি খাও তবে ওটাকে তোমার প্রশ্রয় দিতে হবে। ওটা মাঝে মাঝে উসকে দিতে হবে। যে কারণে যুদ্ধ হয়। যেমন পাশাপাশি দুইটি দেশেই খুব বেশি অসুবিধা হচ্ছে। বা দুটো রাজা বিপদে পড়ছে। পৃথিবীতে বেশির ভাগ যুদ্ধই হয় আয়োজন করে। বাংলাদেশকে যারা এরূপ এমনটি উসকে দিচ্ছে আলোকচিত্রের নামে। দেশের মাকে বণিতা বানাচ্ছে, দেশের মানুষকে বানাচ্ছে অত্যাচারিত বা অত্যাচারি এটা তো বড় অপরাধ। নিজেদের পেটু পুরবার জন্য এতে তো বাংলাদেশের সুনাম প্রচন্ড রকমের ক্ষুন্ন হচ্ছে। দেশে অন্যায় হচ্ছে এটি একটি ডিফরেন্ট ইস্যূ সে জন্য আন্দোলন করা যায় বা আইনের আশ্রয় নিবে। তার মানে এই না বাংলাদেশের ফটোগ্রাফি এই কাজ টা করবে। [/int-ans]

    [int-qs]যারা এ পেশায় আসতে চাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলার কি আছে?[/int-qs]

    [int-ans name=”আনোয়ার হোসেন”]ক্যামেরাটা হাতে নিবে না যদি তুমি সেই বিষয়কে ভালো না বাস। সেটা মেয়েও হতে পারে কোনো মেয়েকে যদি তোমার ভালো লাগে তাহলে তুমি তার ছবি তোল হাজার হাজার। ফুল ও হতে পারে। আকাশ হতে পারে। বা মানবগোষ্ঠীও হতে পারে। হেফাজতে ইসলাম যখন ঢাকায় আসছে তাদের ওপর বেশ কিছু ছবি আছে যেগুলো অসাধারণ কিন্তু সেগুলো আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেখলাম না। শুধু দেখলাম রানা প্লাজাতে দুই যুগল এর মৃত্যুর ছবি। আমাকে অনেকে বলেছে এই ছবি চাইলেই তারা তুলতে পারত কিন্তু আমি হলেও তুলতাম না। এই ছবি পাঠিয়ে যে টাকা পেয়েছে এর কত পার্সেন্ট দেওয়া হচ্ছে সেই পরিবারকে। বা ঐ পরিবারের কি অনুমতি নেওয়া হয়েছে। একটা লোক জড়িয়ে আছে মহিলাকে তারা মারা গেছে এই ছবি তোলার পারমিশন কি তারা দিয়েছে কিংবা তাদের বাবা মা দিয়েছে? [/int-ans]

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleতরুণদের চাইতে বয়স্করা মানসিক সুস্থতায় এগিয়ে!
    Next Article বেশিরভাগ সময় মেজাজ খিটখিটে থাকে
    মুহাম্মদ এ মামুন

    Related Posts

    মানুষ বদলালেই কেবল পৃথিবী বদলাবে

    August 5, 2023

    মানসিক সমস্যার সঙ্গে লড়েছেন পাঠান অভিনেত্রী দীপিকা

    January 26, 2023

    ভেঙে পড়েছিলেন বিরাট, মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে পরামর্শ

    August 23, 2022
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    ফিচার November 5, 2026

    জীবন সঙ্গীর মৃত্যু

    স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা। মানুষের যতগুলো স্ট্রেস আছে তাঁর মধ্য সবথেকে…

    আমাদের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিচ্ছে চীন-পাকিস্তান।

    মানসিক স্বাস্থ্যে সচেতনতা এবং সেবায় সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

    কাজে মন নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, মাঝে মাঝে আত্মহত্যার চিন্তা—কী করব?

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.