Close Menu
    What's Hot

    প্রবীণদের মানসিক সঙ্গ দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

    মানসিক রোগ চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

    পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

    স্পোর্টস এনালাইসিসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Wednesday, October 28
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় October 17, 2026

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      Recent

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

      সারা দেশে নানা আয়োজনে পালিত হলো বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬

      রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার July 4, 2026

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      Recent

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

      মাদকমুক্তির অন্যতম অন্তরায়-বেকারত্ব

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর October 28, 2026

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      Recent

      কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

      পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

      সারাক্ষণ মনে হয় আমার কোনো না কোনো রোগ হয়েছে

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার October 14, 2026

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      Recent

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 25, 2026

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      Recent

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » সন্তান পালনে সফলতা- ১ম পর্ব
    ফিচার

    সন্তান পালনে সফলতা- ১ম পর্ব

    ফরিদা আকতারBy ফরিদা আকতারFebruary 11, 2016No Comments5 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    যে ইচ্ছা আমাদের সবার মনেই প্রবলভাবে থাকে এবং যে ইচ্ছা সহজে পূরণও হয় তা হলো সন্তান লাভের ইচ্ছা। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আমরা সবাই প্রায় বাবা-মা হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করি। সন্তান পাবার ইচ্ছা পূরণ সহজ হওয়ায় অনেক সময়ই আমরা এই প্রাপ্তির গুরুত্বকে উপলব্ধি করি না। নিঃসন্তান দম্পতির দীর্ঘশ্বাস আমাদের এই প্রাপ্তির গুরুত্ব জানিয়ে দেয়। এত সাধের পাওয়া সন্তানের লালন পালন নিয়ে আমরা কতটা সচেতন তা অবশ্যই ভেবে দেখা দরকার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্তানের যত্ন নেয়া, সন্তানকে শেখানো, তাকে কোনো কিছু করতে গাইড করা এ সবই ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিরুচি এবং পরিবারের নিজস্ব সংস্কৃতি বা কালচারের উপর নির্ভর করে। তাদের কেউ কেউ অতিরিক্ত কড়া শাসনে বিশ্বাসী। আবার কেউ কেউ অতিরিক্ত উপদেশ নির্দেশ দিয়ে ছেলে মেয়েকে আদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে চান। কেউবা অতিরিক্ত ছেড়ে দেন। শিশু যা চায় তাই দেন, যা করতে চায় তাই করতে দেন। অর্থাৎ শিশু অতিরিক্ত স্বাধীনতা ভোগ করে। নিজস্ব ধ্যান ধারণা ও বিশ্বাস থেকে যারা সন্তান লালন পালন করেন তারা সাধারণত নিজের আচরণের যুক্তি খোঁজেন না। নিরপেক্ষ ভাবে নিজের আচরণের প্রভাবকে বিশ্লেষণ করেন না। ফলে শিশু যখন অগ্রহণযোগ্য বা অসামাজিক আচরণ করে তখন চরম বিষ্ময়ে প্রশ্ন করেন, “এসব তুমি কার কাছে শিখেছো?”

    মনে পড়ছে এক ভদ্রলোকের কথা। বেশ শিক্ষিত আর ভালো চাকুরে। তিন ছেলে আর এক মেয়ের বাবা। বড় ছেলেটির হিস্টিরিয়া হয়েছিল। হিস্টিরিয়ার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানতে পারলাম ভদ্রলোকের শিশু পালনের ব্যাপারে নিজস্ব একটা বিশ্বাস ছিল। আর তা হলো প্রথম সন্তানকে যদি কড়া শাসন করে সোজা পথে রাখা যায় তবে বাকী তিনজন তাকে অনুকরণ করেই সোজা পথে থাকবে। তাই তিনি শুধু প্রথম সন্তানকে কঠোর শাসনে রাখতেন। নিজের সব ইচ্ছা তার উপর আরোপ করতেন। তার বিশ্বাস ছিল, “আগের হাল যেদিকে যায় পেছনের হালও সেদিকে যায়”। তিনি একটুও ভাবেননি যে মানুষ ‘হাল’ নয় আর ট্রেনের প্রথম বগি যদি লাইনচ্যুত হয় তবে পেছনেরগুলোও কমবেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এই পরিবারটির ক্ষেত্রেও হয়েছিল তাই।

    অনেক মা-বাবাই মনে করেন যে সন্তান যখন খুব ছোট থাকে কেবল তখনই শুধু তাদের ভালমতো যত্ন নিতে হয়, শিশুরা বড় হওয়ার সাথে সাথে বাবা-মায়ের দায়িত্ব একদম কমে যায়। আবার অনেকে মনে করেন সন্তান বড় হয়ে গেলেও তাদের সব দায়িত্ব মা-বাবার, তাদের ব্যাপারে সব সিদ্ধান্ত মা-বাবাই নেবেন। প্রকৃতপক্ষে ছেলে-মেয়ে পুরোপুরি পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত মা-বাবাকে তাদের যত্ন নিতে হয়। এমনকি সন্তান যুবক/যুবতী হওয়ার পরও মা-বাবার অনেক দায়িত্ব থাকে। কিন্তু বিভিন্ন বয়সে এই যত্ন নেয়ার ধরণে অনেক পার্থক্য আছে। এক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে যে সন্তানের যত্ন নেওয়ার মূলনীতি হলো সন্তানকে নির্ভরশীল অবস্থা থেকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা, সন্তানকে মা-বাবার উপর নির্ভরশীল করে না রাখা।

    সফল মা-বাবা হওয়ার জন্য মা-বাবাকে অনেক দক্ষতার অধিকারী হতে হয়। তাই যেসব দক্ষতা ও তার অনুশীলন মা-বাবাকে ভালো মা-বাবা হিসেবে গড়ে তোলে, সেইসব দক্ষতা জানা প্রয়োজন। বেশ কিছু বিশেষ দক্ষতা সফল মা-বাবার মধ্যে দেখা যায়। যেমন-

    বিশ্বাসের সম্পর্ক স্থাপন করা
    মা-বা ও সন্তানের মধ্যে বিশ্বাসের সম্পর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। সন্তানদের যদি মা-বাবার উপর বিশ্বাস না থাকে তবে সে তার মনোভাব, ভালোলাগা, আগ্রহ, কৌতুহল ও পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো মা-বাবার সাথে আলোচনা করে না। ফলে মা-বাবা তার নিজের সন্তানকেই বুঝতে পারে না। মা-বাবার প্রতি সন্তানের বিশ্বাস থাকা খুবই প্রয়োজন, তা না হলে মা-বাবা সন্তানকে অহেতুক সন্দেহ করেন, যা মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষার জন্য মোটেই ভালো নয়।

    বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক
    মা-বাবার সাথে সন্তানের সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বাসের জন্ম দেয়, সুখে-দুঃখে একসাথে থাকার শক্তি জোগায়, মনের কথা বলতে উৎসাহ দেয় এবং এই সম্পর্কের ফলে একজন আরেকজনের উপস্থিতিকে উপভোগ করে।

    মা-বাবার পারষ্পরিক সম্পর্ক
    মা-বাবার মধ্যে শ্রদ্ধাপূর্ণ ভালোবাসার সম্পর্ক থাকা একান্তভাবে কাম্য। মা-বাবার একে অপরের প্রতি বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, যত্ন করার মনোভাব এবং শারীরিক আকর্ষণ থাকতে হবে। এই চারটি উপাদানই পারে একজনের প্রতি আরেকজনের ভালোবাসা তৈরি করতে ও তা ধরে রাখতে। স্বামী-স্ত্রীর পরষ্পরের প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একজন আরেকজনের প্রতি যত্ন ও শ্রদ্ধার মনোভাবের অধিকারী হওয়া।

    সময় দেয়া
    সন্তানকে সফল করে গড়ে তোলার জন্য তাকে সময় দেয়ার কোনো বিকল্প নেই। ব্যস্ততা সন্তানকে নিজের থেকে দূরে রাখার কোনো অজুহাত হতে পারে না। অনেক মা-বাবাই নিজেদের অনুপস্থিতিকে পূরণ করার জন্য সন্তানকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত উপহার কিনে দেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে উপহার কখনোই মা-বাবার উপস্থিতিকে পূরণ করতে পারে না। আবার সবসময় সন্তানের সাথে থাকার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে মানসম্মত সময় দেয়া। অর্থাৎ সময় দেয়া বলতে মূলতঃ বোঝায় মানসম্মত বা ঠিকমতো সময় দেয়া। যতক্ষণ সন্তানের কাছে থাকা যায় সেই সময়টাকেই এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যাতে সেই সময়টিতে সন্তানরা মা-বাবার সাথে মিশতে পারে, মা-বাবার উপস্থিতিকে উপভোগ করতে পারে, নিরাপদ ও স্বস্তিবোধ করে, মা-বাবার ভালোবাসাকে অনুভব করতে পারে এবং আমরা যা শেখাতে চাই তা শিখতে পারে।

    শান্তিপূর্ণ গৃহ পরিবেশ
    সন্তানকে সফল করে গড়ে তোলার জন্য চাই শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ গৃহ পরিবেশ। গৃহ পরিবেশ বলতে সামাজিক ও শারীরিক দুই রকম পরিবেশকেই বোঝায়। বাড়ির আকার-আয়তন, সাজানো-গোছানো অর্থাৎ শারীরিক পরিবেশ যেমন গুরুত্বপূর্ণ একই ভাবে কথাবার্তা, একজনের সাথে অপরের সম্পর্ক অর্থাৎ সামাজিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারে একটি প্রশংসার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সবাই পাবে তার কাজের স্বীকৃতি ও প্রশংসা। এ ধরনের পরিবেশে থাকে বিশ্বাস, পারষ্পরিক নির্ভরশীলতা, একজন আরেকজনকে সাহায্য করার ইচ্ছা, সুখে-দুঃখে একজন আরেকজনের পাশে থাকা যা সবাইকে নিরাপত্তা দেয়।

    আগামী পর্বে সমাপ্ত…


    প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। মনের খবরের সম্পাদকীয় নীতি বা মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই মনের খবরে প্রকাশিত কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না কর্তৃপক্ষ।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleমানুষের জীবনের পর্যায় ও প্রয়োজন
    Next Article মাঝে মাঝে মাদক নেয়াই একসময় আসক্তির দিকে টেনে নিয়ে যায়
    ফরিদা আকতার

    Related Posts

    মানসিক রোগ চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

    October 27, 2026

    স্পোর্টস এনালাইসিসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    October 26, 2026

    এআই নির্ভরতায় মানুষের আবেগের প্রকাশ কী বাধাগ্রস্ত হবে?

    October 24, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    দিনের চিঠি October 28, 2026

    প্রবীণদের মানসিক সঙ্গ দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা

    বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হচ্ছে।…

    কোনো কথা, ছবি, গান বা ঘটনা একবার মাথায় ঢুকলে সেটা আর বের করতে পারি না।

    মানসিক রোগ চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

    পড়াশোনা করতে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়। পাঁচ-দশ মিনিটের বেশি একটানা পড়তে পারি না।

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.