Close Menu
    What's Hot

    অপরাধের পথে কিশোররা: দারিদ্র্যই কি বড় কারণ?

    অবহেলায় পড়ে থাকা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্টের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

    শিশুর অবাধ্যতা: আজকের ছোটো সমস্যা, নাকি আগামী দিনের বড়ো সংকেত?

    নিজের সঙ্গে বিড়বিড় করে কথা বলা কি মানসিক রোগের লক্ষণ?

    মৃত্যুর ভয়: মনের অসুখের অদৃশ্য সংকেত।

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Thursday, November 5
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় November 3, 2026

      মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বানঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

      Recent

      মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বানঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

      মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জনসচেতনতা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

      বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শ্যামলীতে বৈজ্ঞানিক আলোচনা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার November 4, 2026

      শিশুর অবাধ্যতা: আজকের ছোটো সমস্যা, নাকি আগামী দিনের বড়ো সংকেত?

      Recent

      শিশুর অবাধ্যতা: আজকের ছোটো সমস্যা, নাকি আগামী দিনের বড়ো সংকেত?

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর November 4, 2026

      নিজের সঙ্গে বিড়বিড় করে কথা বলা কি মানসিক রোগের লক্ষণ?

      Recent

      নিজের সঙ্গে বিড়বিড় করে কথা বলা কি মানসিক রোগের লক্ষণ?

      চার বছর ধরে ঘুমাতে পারি না, দুঃস্বপ্নে চিৎকার করি—সমাধান কী?

      কোন রোগের নাম শুনলে প্রচণ্ড ভয় লাগে কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাবো?

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার October 14, 2026

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      Recent

      পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ October 25, 2026

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      Recent

      প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

      দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘরে বাইরে যেভাবে ভালো থাকা যায়

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » জিমি কার্টার এবং মনস্তত্ত্ব
    মনস্তত্ত্ব.

    জিমি কার্টার এবং মনস্তত্ত্ব

    Moner KhaborBy Moner KhaborFebruary 28, 2026No Comments4 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    জিমি কার্টার এবং মনস্তত্ত্ব
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    তিনি একজন প্রিয় বন্ধু, অসাধারণ নেতা, মানবদরদী ও সফল রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। গত ছয় দশক ধরে তাকে প্রিয় বন্ধু বলার সম্মান ও সুযোগ আমি পেয়েছি। কিন্তু অসাধারণ ঘটনা হলো, লাখ লাখ মানুষ যারা তাকে কখনো দেখেননি, তাদের কাছেও তিনি ছিলেন প্রিয় বন্ধু। এই কথাগুলো বলে স্মৃতিচারণ করেছিলেন আমেরিকার সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি জিমি কার্টার প্রসঙ্গে এই কথাগুলো বলেছিলেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের উদ্দেশে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করে বলেন, জিমি কার্টার আমেরিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি সেই সময় সকল চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করেছেন দৃঢ়তার সাথে। তিনি আমেরিকার মানুষের জীবনমান উন্নত করতে সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করেছেন। তার জন্য আমরা কার্টারের কাছে ঋণী।

    এই মহান মানুষটি ১৯২৪ সালের ১লা অক্টোবর জর্জিয়ার প্লেইন্স শহরে জন্মগ্রহণ করেন। জেমস আর্ল কার্টার জুনিয়র ছিলেন একজন অনরমুখী ও পরিশ্রমী মানুষ। তিনি তার গভীরভাবে খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাসী এবং বর্ণবাদে বিভক্ত আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলে শৈশব থেকে শেখা শিক্ষার উপর জীবন গড়ে তোলেন। তার জীবনের সবচেয়ে কাছের সাথী ছিলেন স্ত্রী রোজালিন, যাকে তিনি ১৯৪৬ সালে বিয়ে করেন। তাদের বিবাহিত জীবনের মেয়াদ ছিল ৭৭ বছর, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ। তার বাবা চিনাবাদামের খামারের মালিক ছিলেন এবং তার মা ছিলেন একজন নিবন্ধিত নার্স। জুনিয়র কার্টার মেরিল্যান্ডের ইউ.এস নেভাল একাডেমিতে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৫৩ সালে তার পিতার মৃত্যু হলে তিনি চাকরি ছেড়ে জর্জিয়ায় ফিরে আসেন এবং পরিবারের চিনাবাদামের ব্যবসা পরিচালনা করেন। এই কারণে তাকে “বাদামচাষী থেকে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি” এই অভিধায় অভিহিত করা হয়।

    তার মানসিক নৈতিকতা এবং দৃঢ়তাবোধ তাকে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসে। ১৯৬২ সালে রাজ্য রাজনীতিতে প্রবেশ করেন কার্টার। জিমি কার্টার শুরুতে নাগরিক অধিকার সংগ্রামের একজন সমর্থক ছিলেন। কিশোর বয়স থেকেই গার্ভদান ব্যাপ্টিস্ট সানডে স্কুলের শিক্ষক ছিলেন জিমি কার্টার। তার এই শিক্ষকতা জীবনের আদর্শই তাকে দায়িত্ব পালনে ও নৈতিকতার চেতনা ধারণে পরবর্তী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সহায়তা করে।

    Magazine site ads

    তাই তিনি রাগঢাক ছাড়াই নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়টি প্রকাশ করতেন। ১৯৬২ এবং ১৯৬৪ সালে জর্জিয়ার সিনেটে ডেমোক্র্যাট হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে জর্জিয়ার গভর্নরের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, কিন্তু হেরে যান। বিষণ্ণতা তাকে সাময়িকভাবে ঘিরে ধরে। কিন্তু তিনি নিজেকে গুটিয়ে রাখার মতো নিভৃতচারী মানুষ ছিলেন না। তিনি ১৯৭০ সালে আবার গভর্নর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং এইবার জিমি কার্টার জয়ী হন। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি জাতিগত বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানান। তিনি আফ্রিকান আমেরিকান এবং মহিলাদের সরাসরি সরকারি অফিসে নিয়োগ দেন।

    কার্টার পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ১৯৭৬ সালের জুলাইয়ে ডেমোক্র্যাটিক মনোনয়ন জিতেছিলেন। তিনি সিনেটর ওয়াল্টার এফ. মন্ডেলকে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন করেন। ১৯৭৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জিমি কার্টার একটি সুসংগঠিত প্রচারণা চালিয়ে সহজেই বিজয়ী হন। এই প্রচারণা জনগণের ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর ওয়াশিংটনের প্রতি তৈরি হওয়া আস্থার সংকটকে কাজে লাগিয়েছিল। এই কেলেঙ্কারির কারণে রিচার্ড নিক্সন ১৯৭৪ সালে পদত্যাগ করেছিলেন। তার প্রশান্ত হাসি, অকপট ভালোবাসার জন্য তিনি হোয়াইট হাউসে নতুন হাওয়া বইয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন। তারই সফলতার ফসল হিসেবে ১৯৭৬ সালের নভেম্বরে তিনি রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড আর. ফোর্ডের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৭৭ সালে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কার্টার তার মেয়াদের প্রথম বছরে একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পানামা খালের ব্যবস্থাপনা পানামার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৭৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কার্টার ও পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস পানামা খাল চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তির শর্ত মেনে ১৯৯৯ সালে পানামার কাছে খালটির নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তির স্বাক্ষরের সময় কার্টার বলেছিলেন, “বিশ্বের দেশগুলোর সাথে চুক্তির কেন্দ্রে থাকা উচিত ন্যায়বিচার, বলপ্রয়োগ নয়।”

    মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি পুনঃস্থাপনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে কার্টার তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প ডেভিডে আমন্ত্রণ জানান। কার্টারের মধ্যস্থতায় ১৩ দিনের গোপন আলোচনার পর দুটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

    হোয়াইট হাউস থেকে বিদায়ের পর তিনি ও তার স্ত্রী রোজালিন কার্টার চ্যারিটি কর্মসূচি শুরু করেন। তারা চার হাজারের বেশি বাড়ি সংস্কারে সহায়তা করেন। একই সাথে মারানাথা ব্যাপ্টিস্ট চার্চে শিক্ষকতা অব্যাহত রাখেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে উত্তর কোরিয়ায় শান্তি মিশনে যান তিনি। আন্তর্জাতিক সংকট নিয়ে কাজ করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। তার এই স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০২ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। ইতিহাসের এই অবিসংবাদিত নেতা ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর জর্জিয়ার প্লেইন্সে নিজ বাড়িতে ১০০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

    তার রাজনৈতিক দর্শনের মধ্যে যেমন উদারপন্থার ছাপ ছিল, তেমনি তিনি আবার ধর্মবিশ্বাস থেকেও সরে যাননি। তিনি বলতেন, “আপনি ধর্মবিশ্বাস ও জনসেবা আলাদা করতে পারেন না। আমি কখনো ঈশ্বরের ইচ্ছা আর আমার রাজনৈতিক দায়িত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখিনি। আপনি একটি লঙ্ঘন করলে, আরেকটিও লঙ্ঘিত হবে।”

    ডা. মনিশংকর বালা
    এমডি -সাইকিয়াট্রি (বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়)
    মনোরোগ বিশেষজ্ঞ

    জিমি কার্টার এবং মনস্তত্ত্ব
    জিমি কার্টার

    প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। মনেরখবর-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য মনেরখবর কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

    আরও দেখুন- 

    • সবকিছু ঠিকঠাক না হলেও জীবন সুন্দর হতে পারে

    মনের খবর
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleমানসিক রোগ চিকিৎসায় প্রতিবন্ধকতার প্রভাব
    Next Article সাইকিয়াট্রি বিভাগের মার্চ মাসের বৈকালিক আউটডোর সূচি
    Moner Khabor

    Related Posts

    জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

    July 22, 2026

    জর্জ বার্নাড শ

    July 2, 2026

    অতিরিক্ত ডিভাইস ব্যবহারে শিশুরা দেরিতে কথা বলতে শেখে

    April 26, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    ফিচার November 4, 2026

    অপরাধের পথে কিশোররা: দারিদ্র্যই কি বড় কারণ?

    অপরাধ একটি অন্যতম জনসমস্যা, বিশেষ করে নিম্ন এবং মধ্য আয়ের দেশগুলোতে। কৈশোরে অপরাধ প্রবণতা পরবর্তী…

    অবহেলায় পড়ে থাকা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্টের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

    শিশুর অবাধ্যতা: আজকের ছোটো সমস্যা, নাকি আগামী দিনের বড়ো সংকেত?

    নিজের সঙ্গে বিড়বিড় করে কথা বলা কি মানসিক রোগের লক্ষণ?

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.