তিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান

তিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে তরুণদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম।

ঢাকার তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় পাঁচ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ- এ এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  গত ১৭ থেকে ২৫ অক্টোবর এই তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথভাবে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইনোভেশন ফর ওয়েল্বিং ফাউন্ডেশন (আইডব্লিউএফ) ও আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড।
এর আগে গত ১৭ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল ইনোভেশন ফর ওয়েল্বিং ফাউন্ডেশন ও আইডিএলসি যৌথভাবে ঢাকার বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সে হ্যালো টু হ্যাপিনেস’ নামে  মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক এক সচেতনতামূলক প্রচার চালায়। এরই অংশ হিসেবে এ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মনোবিজ্ঞানী  এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ,বিশিষ্ট মনো চিকিৎসক ও আইইউবি এর উপাচার্য ডা. ওমর রহমান, টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক এবং সাতোঁরি মেডিটেশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা রুসাসভাদ। অনুষ্ঠানে বক্তারা  জীবনের নানা প্রতিকূলতার মাঝে কিভাবে ভালো থাকা যায় সেই বিষয় নিয়ে তরুণদের  নানা প্রশ্নের উত্তর দেন।
অুষ্ঠান বিষয়ে আইডব্লিউএফ এর নির্বাহী পরিচালক মনিরা রহমান বলেন,‘শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ফিজিক্যাল ফার্স্ট এইড আছে তেমন আমাদের সকলের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মেন্টাল হেলথ ফার্স্ট এইড জ্ঞান থাকা আবশ্যক। এটি মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাদের প্রাথমিক জ্ঞান দেয়, মানসিক রোগের লক্ষণগুলো বুঝতে সাহায্য করে এবং আমাদের আশপাশে কেউ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়লে তাঁকে কিভাবে প্রাথমিক সাহায্য দিতে হবে তার দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব হয়। এই শিক্ষা যেমন শিক্ষকদের জন্য জরুরি তেমই জরুরি ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের পিতা-মাতার জন্য।
এর পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্য প্যারেন্টিং এর উপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। আর শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত ওয়ার্কশপ এর আয়োজন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন  আইডব্লিউএফ এর নির্বাহী পরিচালক। এ ছাড়া এই ধরনের কাজ করার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

No posts to display

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here