Close Menu
    What's Hot

    শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

    প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    আমি সব কিছুতেই ভয় পাচ্ছি

    দীর্ঘমেয়াদে মাদকাসক্তি এবং ভুলে যাওয়ার সম্পর্ক

    নতুন মানুষের সামনে গেলেই ভয় লাগে—কী করবো?

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Friday, September 25
    Facebook X (Twitter) Instagram
    মনের খবরমনের খবর
    ENGLISH
    • মূল পাতা
    • কার্যক্রম
      1. জাতীয়
      2. আন্তর্জাতিক
      Featured
      জাতীয় September 22, 2026

      সিলেটে বিএপি-বাপসিলের আয়োজনে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

      Recent

      সিলেটে বিএপি-বাপসিলের আয়োজনে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

      ভারতের মহারাষ্ট্রের জলগাঁওয়ে ছয় মাসে ৩৮৩ পুরুষের আত্মহত্যা

      দিনাজপুর মেডিক্যালে চালু হলো মানসিক রোগ বিভাগ (ইনডোর) সেবা

    • প্রতিদিনের চিঠি
    • মানসিক স্বাস্থ্য
      1. মাদকাসক্তি
      2. মানসিক স্বাস্থ্য সেবা তথ্য
      3. যৌন স্বাস্থ্য
      4. শিশু কিশোর
      Featured
      ফিচার July 4, 2026

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      Recent

      মাইগ্রেন অন্যান্য মানসিক রোগের জন্য ক্ষতিকর

      শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন

      মাদকমুক্তির অন্যতম অন্তরায়-বেকারত্ব

    • ফিচার
    • প্রশ্ন-উত্তর
      1. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
      2. মাদকাসক্তি
      3. মানসিক স্বাস্থ্য
      4. যৌন স্বাস্থ্য
      Featured
      প্রশ্ন-উত্তর September 24, 2026

      আমি সব কিছুতেই ভয় পাচ্ছি

      Recent

      আমি সব কিছুতেই ভয় পাচ্ছি

      নতুন মানুষের সামনে গেলেই ভয় লাগে—কী করবো?

      কোন রোগের নাম শুনলে প্রচণ্ড ভয় লাগে কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাবো?

    • জীবনাচরণ
      1. অন্যান্য
      2. অপরাধ আচরণ
      3. কুসংস্কার
      4. মতামত
      5. মন ও ক্রীড়া
      6. মন প্রতিদিন
      7. মনোসামাজিক বিশ্লেষণ
      8. সাক্ষাৎকার
      Featured
      সাক্ষাৎকার September 24, 2026

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      Recent

      শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

      শিশুকে আত্মনির্ভরশীল হওয়া শেখাতে সব আবদার রক্ষা করা যাবে না

      শুধু শিশু নয়, কারোরই সব আবদার রক্ষা করা উচিত নয়

    • মনস্তত্ত্ব.
      1. তারকার মন
      2. ব্যাক্তিত্ব
      3. মনস্তত্ত্ব
      Featured
      মনস্তত্ত্ব. July 22, 2026

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      Recent

      জিমি কার্টার ও মনস্তত্ত্ব

      জর্জ বার্নাড শ

      মার্টিন কুপার ও মনস্তত্ত্ব

    • করোনায় মনের সুরক্ষা
      1. টিপস্
      2. বিশেষজ্ঞের মতামত
      3. বিশ্ব পরিস্থিতি
      4. সার্বক্ষনিক যোগাযোগ
      Featured
      টিপস্ September 24, 2026

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

      Recent

      প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

      মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণের সহজ কিছু কৌশল

      MK4C-তে কীভাবে টেলিসাইকিয়াট্রি চিকিৎসা নেবেন?

    মনের খবরমনের খবর
    You are at:Home » ৮ ঘন্টা কাজ কেন
    ফিচার

    ৮ ঘন্টা কাজ কেন

    ডা. ওয়ালিউল হাসনাত সজীবBy ডা. ওয়ালিউল হাসনাত সজীবMay 1, 2021No Comments5 Mins Read0 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    পেশার জগতে সর্বোচ্চ জায়গায় পৌঁছানোর ইচ্ছে কার না থাকে। আর তাই উন্নতি, অর্থ আর সম্মানের পথে অবিরত ছুটে চলা। খাওয়া, ঘুম হারাম করে এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ঘাড়, মুখ গুঁজে দিবারাত্রি খেটে চলেছেন কত মানুষ। বিনোদন পালাই পালাই। আমাদের শরীর খুবই অনুগত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে অকারণে তার ওপর চাপ বাড়াতেই থাকবেন। যত চাপ বাড়াবেন, তত তাড়াতাড়ি তার বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
    প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত কাজ করার মানে এই নয় যে আপনি অতি দক্ষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে কাটানো সাথর্ক করতে গিয়ে কমর্ক্ষমতা হারাতে চলেছেন, তা কি একবারের জন্যও ভেবে দেখেছেন? নিজ প্রয়োজনে বা মালিকশ্রেণির মুনাফা বৃদ্ধি যে কারণেই হোক, যারা দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি সময় অফিসে কাজ করে কাটান, তাদের জন্য কিন্তু ‘ভবিষ্যতে অপেক্ষা করছে মহাবিপদ।

    একটি গবেষণা বলছে, দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে মৃত্যুর সময় এগিয়ে আসবে। শ্রম -আইন অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কমর্চারীদের দৈনিক কাজের স্বীকৃত সময় এখন ৮ঘণ্টা। কিন্তু সেই ৮ ঘণ্টাই নয়, এমনকি কমর্দিবস ১০-১২ ঘণ্টাতেও রুপান্তরিত হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।

    বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) দাবি করে যে, বাংলাদেশের শ্রম-আইনে দৈনিক কমর্ঘণ্টা আট ঘণ্টা নির্ধারিত থাকলেও অন্তত ৮০ শতাংশ শ্রমিককে তার বেশি সময় কাজ করানো হয়। মাকির্ন যুক্তরাষ্টের মত উন্নত দেশেও ওভারটাইম এবং একস্টেন্ডেড ওয়ার্ক শিফট অনেক বেশি।

    ওভারটাইম হচ্ছে সাপ্তাহিক ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ আর একস্টেন্ডেড ওয়ার্ক শিফট বলতে দৈনিক ৮ ঘণ্টার অধিক কাজকে বোঝায়। তবে বাৎসরিক কমর্ঘণ্টা হিসেবে সবচেয়ে ওপরে আছে দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং এবং থাইল্যান্ডের নাম।

    গত ১০ বছর ধরে আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ায় চালানো গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার বেশি অফিসে কাজ করেন, তাদের স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় ৩৫ ভাগ এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে তা অন্যান্য মানুষের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। শুধু তাই নয়, ১৫ ভাগ ক্ষেত্রে বেড়ে যায় হাটের্র সমস্যাও। আর এই মারণরোগের হাত ধরে কখন যে ডায়াবেটিস শরীরে জায়গা করে নিয়েছে বুঝতেই পারবেন না। অর্থ আর উন্নতির লক্ষ্যে খাওয়া-ঘুম ভুলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে কাজের ফলে শরীরে নিঃশব্দে বাসা বেঁধে আছে এই নীরব ঘাতক। আর ডায়াবেটিসের হাত ধরে আসছে আরো কয়েকটি মারণরোগ।
    ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, এক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে কাজ করা, কায়িক পরিশ্রমের অভাব ও অনিয়মিত জীবনযাপনের ফলে শরীরে দেখা দিচ্ছে টাইপ-২ ডায়াবেটিস।

    লন্ডনের এক দল গবেষক দেখিয়েছেন যে, শুধমুাত্র এক সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করলেই শরীরে শকর্রার ভারসাম্য নষ্ট হয়। আর ডায়াবেটিস থাকলে, অন্যান্য রোগগুলি সহজে সারতেও চায় না। তাছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে ক্লান্তিবোধ, ঘুমঘুম পাওয়া, অমনোযোগিতার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

    কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অফিসে বেশি সময় কাটান তাদের মধ্যে অল্প বয়সে মত্যৃু ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ এবং যা ধূমপানের মতোই শরীরকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করতে থাকে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শরীরকে বয়ে নিয়ে যায় মত্যৃুকূপে।

    অতিরিক্ত কাজের চাপ শরীরে ডায়াবেটিস, হৃদরোগের ঝুঁকি যেমন বাড়াচ্ছে তেমনি নানাবিধ মানসিক সমস্যারও কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এদের মধ্যে দুশ্চিন্তা ছাড়াও বিষণ্ণতার ঝুঁকি অনেক অনেক বেশি।

    উন্নত বিশ্বের দেশ জাপান-যেখানে কাজের চাপ অনেক বেশি। সে দেশের গবেষকরা দেখেছেন যে, অধিক কাজ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়ে অপরিণত বয়সে মুত্যু ডেকে আনছে। জাপানিজরা একে ‘কারশি’ বলে অর্থাৎ অধিক কাজে মৃত্যু। সে দেশের গবেষকরা আরো দেখিয়েছেন যে, অধিক কাজ মানুেষর মধ্যে দুশ্চিন্তা, বিরক্তি, অস্থিরতার জন্ম দেয় এবং শরীরকে অবসন্ন করে।

    বিভিন্ন দেশে চালিত প্রায় ২২টি গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত কাজ  স্বাস্থ্যঝুঁকি, নানাবিধ দুঘর্টনা এমনকি মত্যৃুহার অনেক গুণ বৃদ্ধি করে। গবেষণায় এদের মধ্যে ধূমপান, মদ্যপানের মতো নেশাদব্র্য গ্রহণের মাত্রা যেমন বেশি দেখা গেছে তেমনি মনস্তাত্ত্বিক কাযর্ক্ষমতাও এদের কমে যাচ্ছে।

    বেশি কাজ, বেশি ফল, ব্যাপারটা কি তাই? সইুডিস গবেষণা বলে ভিন্ন কথা। সুইডিস সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে অবসরপ্রাপ্ত সেবিকাদের মধ্যে চালিত গবেষণায় তাদের ৮ ঘণ্টা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে দৈনিক ৬ ঘণ্টা কাজ দিয়ে দেখা গেছে, কাজের পরিমাণ ছাড়াও কাজের গুণগত মান যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি তাদের মধ্যে অসুস্থতাজনিত ছুটি, মানসিক চাপও অনেক কম ছিল।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষক দেখিয়েছেন যে, দৈনিক ৪ ঘণ্টা কাজ করে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন করা সম্ভব। প্রশ্ন ছিল ৮ ঘণ্টা কাজ করব কেন? যদি চান এই ধরণীতে আরো কিছটুা দিন  সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে, আরো অবকাশ, জীবনকে আরো উপভোগ্য করে গড়ে তুলতে তবে তো সেটাই উচিত।

    আর এ ক্ষেত্রে গবেষণালব্ধ ফল আমাদের পাশে আছে। গোটা বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে আমারাও দ-ুহাত বাড়িয়ে বরণ করেছি মে দিবসকে। দুনিয়ার কসাইখানা হিসেবে পরিচিত মাকির্ন যুক্তরার্ষ্টের শিকাগো শহরের হে মাকের্টে ১৮৮৬ সালে ১লা মে, শ্রমিকদের ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে সুশৃঙ্খল শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে মোকাবেলা করার জন্য গর্জে ওঠে বন্দুক। ঘামে ভেজা শ্রমিকদের জামা-কাপড় ক্ষতবিক্ষত দেহের রক্তে রাঙা হয়ে ওঠে।
    শ্রমিকশ্রেণি তাঁদের জীবনের বিনিময়ে আমেরিকার ধূসর মাটিতে রক্তের অক্ষরে ইতিহাসের এক নতুন ও সুদূরপ্রসারী তাৎপযর্ময় অধ্যায় রচিত করে।

    ১৮৯০ সালে স্থির হয় বিশ্বব্যাপী ১লা মে তারিখটি মে দিবস হিসেবে পালিত হবে। এরপর থেকেই পহেলা মে দিনটিকে শ্রমিকরা আন্তর্জাতিকভাবে  মহান মে দিবস তথা শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। বিশ্বের তিন ভাগের এক ভাগ এলাকার রাষ্ট্রীয়  ব্যবস্থায়  শ্রমিকশ্রেণির কর্তৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানকার শ্রমজীবী মানুষের কাছে মে দিবস উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে।

    কিন্তু বিশ্বের বাকি অংশের শ্রমজীবী মানুষ ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে এখনো এই দিনটিকে প্রতিজ্ঞা গ্রহণের দিন হিসেবে পালন করে। আমরা যারা অর্থ যশ আর অপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে অথবা অফিসের বসকে খুশি করতে দিবারাত্রি খেটে চলেছি আসুন এই দিনটিতে দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার  প্রতিজ্ঞা করি। প্রতিজ্ঞা করি সুস্থভাবে বাঁচার, জীবনকে উপভোগ করার।

    সূত্র: লেখাটি মনের খবর মাসিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত

    স্বজনহারাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পেতে দেখুন: কথা বলো কথা বলি
    করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন: করোনা ইনফো
    মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও দেখুন: সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে

    https://youtu.be/WEgGpIiV6V8

    কাজ মানসিক সুস্থতা শ্রমিক
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleকাজ হোক আনন্দময়
    Next Article করোনা কালে সন্তানদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পিতামাতার ভূমিকা
    ডা. ওয়ালিউল হাসনাত সজীব

    সহকারী অধ্যাপক, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ।

    Related Posts

    দীর্ঘমেয়াদে মাদকাসক্তি এবং ভুলে যাওয়ার সম্পর্ক

    September 23, 2026

    প্রবীণদের ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমানোর উপায় কী?

    September 22, 2026

    স্মার্টফোনের অতিব্যবহার মস্তিষ্ক ও মেমোরিকে আনস্মার্ট করে দিচ্ছে

    September 21, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    অতিরিক্তি হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির উপায়

    July 25, 2021316 Views

    অভিভাবকত্ব শুধুমাত্র লালন-পালনের নাম নয়, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া

    June 30, 2025300 Views

    বাংলাদেশি মনোরোগ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    July 2, 2025209 Views

    পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন যেভাবে

    March 13, 2022118 Views
    Don't Miss
    সাক্ষাৎকার September 24, 2026

    শুধু কাজ নয়, মনের যত্নও জরুরি: ফ্রিল্যান্সার মারুফের ভাবনা

    মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা মনের খবরের মৌলিক এজেন্ডা। মনের খবর চায় সব মানুষ তার নিজের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকুক। এজন্য সাধারণ মানুষের মাঝে আদৌ মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে কিনা সেটা জানতে মনের খবর প্রায়ই একেবারে প্রান্তিক মানুষের মুখোমুখি হয়। এবার আমরা একজন ফ্রিল্যান্সারের মুখোমুখি হয়েছিলাম। তার কাছে জানতে চেয়েছি মানসিক স্বাস্থ্যের খুঁটিনাটি নানা বিষয়। ফ্রিল্যান্সার মারুফ আহমেদের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায় । বয়স ২৭ বছর। বর্তমানে…

    প্রতিদিনের জীবনে ধৈর্য বাড়ানোর কৌশল

    আমি সব কিছুতেই ভয় পাচ্ছি

    দীর্ঘমেয়াদে মাদকাসক্তি এবং ভুলে যাওয়ার সম্পর্ক

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    প্রকাশক ও সম্পাদক:
    অধ্যাপক ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
    মোবাইল : (+88) 018-65466594, (+88) 014-07497696
    ইমেইল : info@monerkhabor.com

    লিংক
    • মাসিক ম্যাগাজিন প্রাপ্তিস্থান
    • কনফারেন্স-সেমিনার-ওয়ার্কশপ
    • প্রেজেন্টেশন
    • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
    রিসোর্স
    • পরিচালনা পর্ষদ
    • মানসিক বিষয়ে সংগঠন
    • বিশেষজ্ঞ লোকবল
    • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
    সোশ্যাল মিডিয়া
    • Facebook
    • YouTube
    • LinkedIn
    • WhatsApp
    © 2026 মনেরখবর সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • গোপনীয়তা নীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.