যৌন অক্ষমতা শারীরিক নাকি মানসিক?

0
107

পুরুষের যৌন জীবনে অক্ষমতার কারণ মানসিক, নাকি শারীরিক সেটা বোঝার সহজ এক উপায় বের করেছেন জন বেরি তাঁর দুই সহকর্মী, ব্রুস ব্ল্যাঙ্ক এবং মাইকেল বোইলিয়ুক৷ নিজের উদ্ভাবন বড় অনুষ্ঠানে তুলে ধরতে বিশেষ পছন্দ করেন জন বেরি৷ একজন পুরুষের পুরুষাঙ্গ ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা যাচাইয়ের এক সহজ উপায় জানেন তিনি৷

এজন্য যা করতে হবে, তা হচ্ছে, ঘুমাতে যাওয়ার আগে পুরুষাঙ্গে রিংয়ের মতো করে ডাকটিকিট জড়াতে হবে এবং কিছুটা কল্পনাশক্তি লাগবে৷ সেই ১৯৭৯ সালে বেরি তাঁর দুই সহকর্মী নিয়ে এই পন্থা উদ্ভাবন করেছিলেন৷ আর সেই উদ্ভাবনের প্রায় চল্লিশ বছর পর তাঁরা রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিনে আইজি নোবেল পুরস্কার জয় করেছেন৷

বেরি বলেন, আমাদের এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে ঘুমন্ত অবস্থায় একজন মানুষের লিঙ্গউত্থান ঘটে কিনা তা যাচাই করা৷ একজন স্বাভাবিক পুরুষের ঘুমন্ত অবস্থায় এক থেকে পাঁচবার লিঙ্গউত্থান ঘটে৷ আর এটা তিনি যখন স্বপ্ন দেখেন, তখন ঘটে৷ সেই স্বপ্ন যে যৌনউদ্দীপক হতে হবে এমন কোনো কথা নেই৷ সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখা যায়, ডাকটিকিটগুলো ছিঁড়ে যায়নি, অর্থাৎ আগের মতোই আছে, তাহলে বুঝতে হবে কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে সেই ব্যক্তির যৌন অক্ষমতা রয়েছে৷

বেরি আরো বলেন, সেই ব্যক্তির হয়ত ডায়াবেটিস, বা ধমনীতে সমস্যা আছে৷কিন্তু, যদি দেখা যায়, ঘুমন্ত অবস্থায় একজন মানুষের লিঙ্গউত্থান ঘটে, কিন্তু যৌন সম্ভোগের সময় তেমনটা ঘটে না, তাহলে বুঝতে হবে সমস্যাটা আসলে মানসিক৷ অর্থাৎ ডাকটিকিট পরীক্ষা সমস্যার কারণ বুঝতে সহায়ক৷ এই পরীক্ষা করতে একটি পুরুষাঙ্গের জন্য চারটি পর্যন্ত ডাকটিকিট দরকার হতে পারে৷ আর সেগুলো আঠা দিয়ে অবশ্যই আটকে দিতে হবে৷

সুত্র : ডয়চে ভেলে।

স্বজনহারাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পেতে দেখুন: কথা বলো কথা বলি
করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন: করোনা ইনফো
মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও দেখুন: সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে  

“মনের খবর” ম্যাগাজিন পেতে কল করুন ০১৮ ৬৫ ৪৬ ৬৫ ৯৪
শেয়ার করুন, সাথে থাকুন। সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে।
       
 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here