মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক রোগ নিয়ে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা দূর করা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে (এনআইএমএইচ) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় এনআইএমএইচের ৭ম তলার কনফারেন্স হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি) অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএপির মেম্বার সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা ও জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমপিএ) ও বিপিএইচসিডিএ এর সভাপতি ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসাইন বিশ্বাস, এনআইএমএইচ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ খসরু পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মনোরোগবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এমএমএ সালাহউদ্দিন কাউসার বিপ্লব এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক-কাম-অধ্যাপক, অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএপির জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারি ডা. মো. রাহানুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএপির জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারি ডা. মো. তায়েবুর রহমান।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস প্রতিবছর ১০ অক্টোবর পালিত হয়। দিবসটি বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য ‘Lived Experiences Heard: Real Voices, Real Change’—অর্থাৎ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া মানুষের কথা শোনা এবং সেই অভিজ্ঞতাকে কার্যকর পরিবর্তনের অংশ করা।
অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন দিক, মানসিক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানসিক স্বাস্থ্যকে শারীরিক স্বাস্থ্যের সমান গুরুত্ব দেওয়া এবং মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি বৈষম্য ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি কমাতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


