মানসিক স্বাস্থ্যের সবকিছু

Home সংবাদ জাতীয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানসিক রোগ বিভাগ

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানসিক রোগ বিভাগ

মনের খবর.কমের পাঠকদের জন্য থাকছে দেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের বিস্তারিত তথ্য। প্রত্যেক প্রতিবেদনে থাকবে একটি করে টেবিল। টেবিলে বিভাগের লোকবল, সেবা ইত্যাদি সংবলিত প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য থাকবে। ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজকের পর্বে থাকছে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানসিক রোগ বিভাগ।

পরিচিতি
খুলনা মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখনও এটি অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে আন্ডারগ্রাজুয়েটের প্রোগ্রামের পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি কোর্স ও প্রশিক্ষণ চালু আছে।

khulna medical college

লোকবল
হাসপাতালটির মানসিক রোগ বিভাগে চাকুরিরত আছেন ২ জন। এদের দু’জনই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। এছাড়া কোনো মেডিকেল অফিসার কিংবা নার্স নেই।

বহির্বিভাগ
এই বিভাগে শুধু একটি সেবা চালু আছে আর তা হলো বহির্বিভাগ সেবা। বহির্বিভাগে ১০ টাকা টিকেট ফিতে রোগী দেখা হয়। শুক্রবার সরকারি ছুটি ছাড়া বাকি ছয়দিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলে রোগী দেখার কার্যক্রম। প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ জন আসেন এখানে মানসিক চিকিৎসা সেবা পেতে।

দিনভিত্তিক বিশেষ সেবা
প্রতি সপ্তাহে দিনভিত্তিক বিশেষ সেবা দিয়ে থাকে এই বিভাগ। রোববার সেক্স ক্লিনিক, সোমবার মাথাব্যাথা ক্লিনিক, মঙ্গলবার সিজোফ্রেনিয়া ক্লিনিক, বুধবার চাইল্ড মেন্টাল হেল্প ক্লিনিকের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিশেষ বিশেষ এসব দিনে এই রোগ ছাড়াও অন্য রোগীদের দেখা হয়ে থাকে। বিশেষ দিনে বিশেষ রোগকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে।

সাইকোথেরাপি (কাউন্সেলিং)
মানসিক রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা হিসেবে এখানে কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হয়। বিভাগের শিক্ষকরাই এ সেবা দিয়ে থাকেন। বিভিন্ন বিভাগ থেকে রেফার্ড রোগীদেরও শিক্ষকরা কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করে থাকেন। অনেকসময় প্রশিক্ষণরত শিক্ষার্থীরাও এ সেবা প্রদানে সাহায্য করে থাকেন।

শিক্ষা কার্যক্রম
পাঁচ বৎসর মেয়াদী শিক্ষা কার্যক্রম সাফল্যজনকভাবে শেষ করে শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাশাস্ত্রে এমবিবিএস স্নাতক ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়। এ কলেজে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন কোর্স রয়েছে। কিন্তু এখানে অর্থাৎ মানসিক রোগ বিভাগে কোনো পোস্ট গ্রেজুয়েট ডিগ্রি চালু নাই।
এছাড়াও মাঝে মাঝে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করে থাকে এই বিভাগ। এবং বিভিন্ন সময় কনফারেন্স ও কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল থেকে আগত শিক্ষার্থীদেরও ট্রেনিং করানো হয়ে থাকে। এখানে যৌথ উদ্যোগে গবেষণার কাজ হয়ে থাকে। আবার এই মেডিকেল কলেজের অন্য বিভাগের সাথে যৌথ উদ্যোগে গবেষণা হয়ে থাকে।

kmc

জাহিদ হাসান
প্রতিবেদক, মনেরখবর.কম

এ সম্পর্কিত অন্য লেখার লিংক-

ঢামেকের মানসিক রোগ বিভাগ

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মানসিক রোগ বিভাগের সেবাতথ্য

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে কীভাবে পাবেন মানসিক রোগের সেবা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগ

সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানসিক রোগ বিভাগের সেবাতথ্য

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগ

 শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানসিক রোগ বিভাগ

জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়া-মনোরোগ বিভাগ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মানসিক রোগবিভাগের সেবাতথ্য

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ মানসিক রোগ বিভাগ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানসিক রোগ বিভাগ

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আমাদের সাথেই থাকুন

87,455FansLike
55FollowersFollow
62FollowersFollow
250SubscribersSubscribe

Most Popular

তরুণদের মাদকাসক্তির পেছনেও রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব: গবেষণা

ভালো দিকের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন খারাপ প্রভাবও  উঠে এসেছে বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন গবেষণায়। তবে এবার একটি গবেষণা বলছে তরুণদের মাদকাসক্তির পেছনেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের...

সেক্স্যুয়াল মিথ ও যৌন স্বাস্থ্য

ভীমরতি শব্দের আভিধানিক অর্থ ভীষনরাত্রি । ‘ভীম’ মানে ভীষন আর ‘রতি’ মানে রাত্রি। ভারতীয় পুরাণ মতে বয়স সাতাত্তর হলে সাত মাসের সপ্তম রাত্রির নাম...

করোনা’কে অগ্রাহ্য বা অতি আতঙ্কে বিষণ্ণতা- উভয়ই ক্ষতিকর

অতি মাত্রার আতঙ্ক অনেক সময় মানুষকে বিবেক শূন্য করে দিতে পারে। তখন অনেকে আতঙ্ককে অগ্রাহ্য করে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়, আবার...

মানসিক স্বাস্থ্য ও মানসিক রোগের চিকিৎসা

সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিপাদ্যে এবছর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। প্রতিপাদ্যে সবার জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বলা হয়েছে; মানসিক রোগের কথা বলা...

প্রিন্ট পিডিএফ পেতে - ক্লিক করুন