ভাই-বোনের মতের অমিল, সমাধানের উপায়

ভাই-বোনের মতের অমিল, সমাধানের উপায়
ভাই-বোনের মতের অমিল, সমাধানের উপায়

ভাই-বোন বা বোন-বোন অথবা ভাই-ভাইয়ের মধ্যে মতের অমির নতুন ব্যাপার নয়।

মায়ের পাশে কে ঘুমাবে, ভালো খেলনাটা কে নেবে, এই সব ছোট-খাটো বিষয়ে তাদের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকে। দুই ভাই, দুই বোন বা দুই ভাই বোনের মধ্যে সম্পর্ক একেবারেই ভালো হয় না অনেক সময়।

কোনো পরিবারে একের বেশি সন্তান থাকলেই এই ধরনের অশান্তি দেখা দেয়। তবে কোনো কোনো পরিবারে ভাই বোনের ঝগড়া মাঝে মাঝে চরম আকার ধারণ করে। বাড়ির খুদেগুলো ঝগড়া করলে অবশ্যই বাবা মা হিসেবে তা আপনাদের অশান্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

কিন্তু তার জন্য নিজেদের ধৈর্য্য হারালে চলবে না। যতটা সম্ভব শান্ত থেকে ধৈর্য্য ধরে পরিস্থিতির মোকাবিলা করুন। দেখে নিন এই ঝগড়া সামলাবেন কীভাবে।

ভাই কিংবা বোন আসার খবর পেয়ে সাধারণত ছোটোরা খুশি হয়। কিন্তু পরিবার পরিচিতদের কিছু মানুষ খানিকটা মজার ছলেই ছোটো শিশুকে বলতে থাকে যে, মা-বাবা এবার আর তাকে ভালোবাসবে না। ছোটো ভাই কিংবা বোনকেই বেশি ভালোবাসবেন।

এসব শুনে ছোটোদের মনে হিংসে ঢুকে যায়। তার উপর যখন সত্যিই ছোটো ভাই বা বোনকে মা-বাবা যত্ন নিতে শুরু করে শিশু ভাবে তাকে আর কেউ ভালোবাসেন না।

মনে রাখবেন হাতের পাঁচটা আঙুল এক রকম হয় না। তাই আপনার দুই সন্তান পুরো এক রকম হবে এরকম মনে করার কোনো কারণ নেই। কেউ হয়তো পড়াশোনায় বেশি ভালো, কেউ খেলাধুলোয়। দুজন সন্তানের মধ্যে কোনো দিন তুলনা টানতে যাবেন না।

কোনো একজনের প্রতি আপনার বেশি ভালোবাসা এবং নির্ভরতা থাকলেও তা কোনো ভাবে আপনার আচার ব্যবহারে যেন বোঝা না যায়। দুজনের প্রতি আপনার আচরণের বৈষম্য কিন্তু দুই সন্তানের মধ্যে অশান্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

দুজনের মধ্যে মিটমাট করানোর সময়ে আগে দুজনের কথাই মন দিয়ে শুনবেন। তারপর ঠান্ডা মাথায় দুজনকেই বোঝাতে হবে। হতে পারে কোনো একজন বেশি দোষ করে ফেলেছে।

তাই বলে সবটা বকাঝকা একজনকেই করবেন না। দুজনকেই বুঝিয়ে বলুন। প্রয়োজনে একটু কড়া হয়ে বোঝান যে বেশি দোষ করেছে তাকে।

ভাই বোনের মধ্যে ঝগড়া হতেই পারে। তার জন্য যেন দুজনে কথা বলা বন্ধ না করে দেয়। বাবা মা হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব এটা খেয়াল রাখা যে আপনাদের সন্তানরা পরস্পরের সঙ্গে যথেষ্ট কথা বলা এবং খেলাধুলো করছে তো। বড়দের মতো ছোটদের মধ্যেও দুজন দুজনের সঙ্গে কথা বললে অনেক ভুল বোঝাবুঝি মিটে যায়।

সব সময় সন্তানের ঝগড়ায় আপনি মধ্যস্থতা করতে যাবেন না। চেষ্টা করুন যাতে ওরা নিজেরাই নিজেদের অশান্তি মিটিয়ে নিতে পারে। নিজেদের সমস্যা নিজেরা মেটাতে পারলে ভবিষ্যতের অনেক বড় সমস্যাও নিজেরা মিটিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে পারবে আপনার সন্তানেরা।

স্বজনহারাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পেতে দেখুন: কথা বলো কথা বলি
করোনা বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশনা পেতে দেখুন: করোনা ইনফো
মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক মনের খবর এর ভিডিও দেখুন: সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে

 

“মনের খবর” ম্যাগাজিন পেতে কল করুন ০১৮ ৬৫ ৪৬ ৬৫ ৯৪
শেয়ার করুন, সাথে থাকুন। সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে।

No posts to display

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here